ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলায় আহত আরও এক ভারতীয়র প্রয়াণ ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে স্বৈরাচারী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনায় ২৫ মাসে ২২৫ মৃত্যুর ঘটনা: অপরাধের স্বর্গরাজ্যে আতঙ্কিত জনজীবন শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের বড় অংশীদারত্ব খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্যে বিএনপি নেতার ছেলেকে মৃত্যুর ঘটনায় বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ভারসাম্যহীন নারীর মৃত্যু আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা, আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমনি ইয়েমেনে সংঘাত বন্ধে ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চায় হুথিরা

উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ

  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 263
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত এক পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ওয়ারিশসূত্রে অর্জিত জমির মালিকদের নামজারি দুইভাবে হতে পারে। কোন মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম একটি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ওয়ারিশগণ যৌথভাবে নামজারির আবেদন করতে পারেন। যৌথভাবে নামজারি (জমাভাগ ব্যতীত) করার ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনারদের কাছ থেকে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করে আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। এ ধরনের আবেদন প্রাপ্তির পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারি মামলা দায়ের করে খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির মধ্যে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখপূর্বক নামজারি খতিয়ান করে দিবেন। এক্ষেত্রে বণ্টননামা দলিলের প্রয়োজন হবে না।

পরিপত্রে আরো বলা হয়, ওয়ারিশগণ যদি জমাভাগের মাধ্যমে পৃথক পৃথকভাবে খতিয়ান করে আলাদা-আলাদাভাবে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চান তাহলে ওয়ারিশগণ প্রাপ্যতা অনুযায়ী কে কোন দাগে বা একটি দাগের কোন অংশে জমি ভোগ-দখল করতে চান সকল ওয়ারিশ মিলে তা নির্ধারণপূর্বক একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এভাবে বণ্টননামা দলিল ব্যবহার করে ওয়ারিশগণ পৃথক পৃথকভাবে নামজারির আবেদন করলে প্রত্যেক ওয়ারিশের নামে পৃথক পৃথক নামজারি খতিয়ান করা যাবে।

পরিপত্রে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি/স্থাবর সম্পত্তি ওয়ারিশ সনদমূলে উত্তরাধিকারগণ যৌথভাবে নামজারি/রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করলে অনেক ক্ষেত্রে তা নামঞ্জুর করা হচ্ছে-যা যথাযথ নয়। এর ফলে নাগরিকগণ হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। বণ্টননামা দলিল ব্যতীত শুধু ওয়ারিশ সনদমূলে খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির বিপরীতে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখপূর্বক সকল ওয়ারিশের নামে যৌথ খতিয়ান করা আইনসিদ্ধ। তবে জমাভাগের মাধ্যমে প্রত্যেক ওয়ারিশের নামে পৃথক পৃথক খতিয়ান করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৩খ উপধারা অনুযায়ী অবশ্যই বন্টননামা দলিলের ভিত্তিতে নামজারি করতে হবে।

তবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ পূর্বের খতিয়ান (মৃত ব্যক্তির নামে) ভেঙে পৃথক পৃথক খতিয়ান করার মাধ্যমে জমাভাগ করার ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র বণ্টননামা দলিল আবশ্যক।

সংশ্লিষ্ট সকলকে মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের যৌথভাবে দাখিলকৃত নামজারির আবেদন বণ্টননামা দলিল না থাকার অজুহাতে নামঞ্জুর করা হতে বিরত থাকার জন্য বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করা হলো।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত এক পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ওয়ারিশসূত্রে অর্জিত জমির মালিকদের নামজারি দুইভাবে হতে পারে। কোন মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম একটি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ওয়ারিশগণ যৌথভাবে নামজারির আবেদন করতে পারেন। যৌথভাবে নামজারি (জমাভাগ ব্যতীত) করার ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনারদের কাছ থেকে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করে আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। এ ধরনের আবেদন প্রাপ্তির পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারি মামলা দায়ের করে খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির মধ্যে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখপূর্বক নামজারি খতিয়ান করে দিবেন। এক্ষেত্রে বণ্টননামা দলিলের প্রয়োজন হবে না।

পরিপত্রে আরো বলা হয়, ওয়ারিশগণ যদি জমাভাগের মাধ্যমে পৃথক পৃথকভাবে খতিয়ান করে আলাদা-আলাদাভাবে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চান তাহলে ওয়ারিশগণ প্রাপ্যতা অনুযায়ী কে কোন দাগে বা একটি দাগের কোন অংশে জমি ভোগ-দখল করতে চান সকল ওয়ারিশ মিলে তা নির্ধারণপূর্বক একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এভাবে বণ্টননামা দলিল ব্যবহার করে ওয়ারিশগণ পৃথক পৃথকভাবে নামজারির আবেদন করলে প্রত্যেক ওয়ারিশের নামে পৃথক পৃথক নামজারি খতিয়ান করা যাবে।

পরিপত্রে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি/স্থাবর সম্পত্তি ওয়ারিশ সনদমূলে উত্তরাধিকারগণ যৌথভাবে নামজারি/রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করলে অনেক ক্ষেত্রে তা নামঞ্জুর করা হচ্ছে-যা যথাযথ নয়। এর ফলে নাগরিকগণ হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। বণ্টননামা দলিল ব্যতীত শুধু ওয়ারিশ সনদমূলে খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির বিপরীতে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখপূর্বক সকল ওয়ারিশের নামে যৌথ খতিয়ান করা আইনসিদ্ধ। তবে জমাভাগের মাধ্যমে প্রত্যেক ওয়ারিশের নামে পৃথক পৃথক খতিয়ান করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৩খ উপধারা অনুযায়ী অবশ্যই বন্টননামা দলিলের ভিত্তিতে নামজারি করতে হবে।

তবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ পূর্বের খতিয়ান (মৃত ব্যক্তির নামে) ভেঙে পৃথক পৃথক খতিয়ান করার মাধ্যমে জমাভাগ করার ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র বণ্টননামা দলিল আবশ্যক।

সংশ্লিষ্ট সকলকে মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের যৌথভাবে দাখিলকৃত নামজারির আবেদন বণ্টননামা দলিল না থাকার অজুহাতে নামঞ্জুর করা হতে বিরত থাকার জন্য বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করা হলো।
বিডিসংবাদ/এএইচএস