ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মিলবে ২০ বছর ভারতে বিমানের টিকিটের ভাড়ায় আসছে নতুন নিয়ম যুবলীগ নেতার প্রতিষ্ঠানকে কোটি টাকার কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ নির্বাচিত হলে বেকারদের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি জাকির হোসেনের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়া ও গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, পুলিশ-বিজিবি মোতায়েন সৌদি আরবে ফ্লাইট বিধিনিষেধ: বিপাকে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী এইচএসসি ফলাফল: গোদাগাড়ীতে জিপিএ-৫ পেলেন কেবল নুসরাত আইনে রূপান্তর হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ ও ক্রয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন ৩৫ উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে বিস্তারিত আলোচনা

গভীর সমুদ্র বন্দরসহ পায়রা বন্দর প্রকল্প সমাপ্ত হলে অর্থনীতিতে আরো সমৃদ্ধি আসবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪
  • / 219
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গভীর সমুদ্র বন্দর, বে-টার্মিনাল, পায়রা বন্দরের ফার্স্ট টার্মিনাল নির্মান প্রকল্প শেষ হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আরো সমৃদ্ধি আসবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। উন্নয়নের আরেক ধাপ ওয়াটার ওয়ে-কে আরো বেশি স্মুথ করতে পারলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাজ দৃষ্টিগোচর হবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাসমূহের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ২০২৩-২৪ এর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সঠিক সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে না পারা বড় ধরনের দুর্বলতা। এক্ষেত্রে প্রকল্পের কাজ সময় মতো সম্পন্ন করা ও অর্থের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের ডিপিপি সঠিকভাবে তৈরি করতে হবে। পরবর্তীতে ডিপিপি পরিবর্তন করা সঠিক নয়।
তিনি আরো বলেন, নদী খননের ড্রেজ মেটেরিয়াল কোথায় ফেলা হবে এটি একটি সমস্যা। বিচার বিশ্লেষণ করে ডিপিপি ফর্ম করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অন্যান্য মন্ত্রণালয় থেকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাজে ভিন্নতা আছে। পরিবেশ পরিস্থিতির সাথে মিলিয়ে কাজ করতে হয়।
উল্লেখ্য, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩১টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে ২৮টি এডিপিভুক্ত, তিনটি নিজস্ব অর্থায়নের প্রকল্প। এজন্য বরাদ্দ পেয়েছে ১০,১৪৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এডিপিভুক্ত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ৯,৪৭৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ ৬৭৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এডিপিভুক্ত ২৮টি প্রকল্পের মধ্যে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তিনটি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ১৪টি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের দু’টি, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চারটি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) একটি, নৌপরিবহন অধিদফতরের একটি, নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের একটি এবং বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির একটি প্রকল্প। এছাড়া রয়েছে নিজস্ব অর্থায়নে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তিনটি প্রকল্প।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গভীর সমুদ্র বন্দরসহ পায়রা বন্দর প্রকল্প সমাপ্ত হলে অর্থনীতিতে আরো সমৃদ্ধি আসবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গভীর সমুদ্র বন্দর, বে-টার্মিনাল, পায়রা বন্দরের ফার্স্ট টার্মিনাল নির্মান প্রকল্প শেষ হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আরো সমৃদ্ধি আসবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। উন্নয়নের আরেক ধাপ ওয়াটার ওয়ে-কে আরো বেশি স্মুথ করতে পারলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাজ দৃষ্টিগোচর হবে।
প্রতিমন্ত্রী আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাসমূহের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ২০২৩-২৪ এর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সঠিক সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে না পারা বড় ধরনের দুর্বলতা। এক্ষেত্রে প্রকল্পের কাজ সময় মতো সম্পন্ন করা ও অর্থের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের ডিপিপি সঠিকভাবে তৈরি করতে হবে। পরবর্তীতে ডিপিপি পরিবর্তন করা সঠিক নয়।
তিনি আরো বলেন, নদী খননের ড্রেজ মেটেরিয়াল কোথায় ফেলা হবে এটি একটি সমস্যা। বিচার বিশ্লেষণ করে ডিপিপি ফর্ম করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অন্যান্য মন্ত্রণালয় থেকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাজে ভিন্নতা আছে। পরিবেশ পরিস্থিতির সাথে মিলিয়ে কাজ করতে হয়।
উল্লেখ্য, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩১টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে ২৮টি এডিপিভুক্ত, তিনটি নিজস্ব অর্থায়নের প্রকল্প। এজন্য বরাদ্দ পেয়েছে ১০,১৪৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এডিপিভুক্ত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ৯,৪৭৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ ৬৭৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এডিপিভুক্ত ২৮টি প্রকল্পের মধ্যে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তিনটি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ১৪টি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের দু’টি, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চারটি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) একটি, নৌপরিবহন অধিদফতরের একটি, নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের একটি এবং বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির একটি প্রকল্প। এছাড়া রয়েছে নিজস্ব অর্থায়নে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তিনটি প্রকল্প।

বিডিসংবাদ/এএইচএস