ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রথম বর্ষপূর্তিতে সান ফুকুওক এয়ারওয়েজের বড় মাইলফলক এনসিএলে মেহরবের সেঞ্চুরি ও আরাফাতের ৬ উইকেটের সাফল্য বেতন বকেয়া রেখেই খুলনায় ৩০ কর্মীকে অব্যাহতি খুলনায় বকেয়া নিয়ে বিরোধে তাঁতী দল নেতাকে হামলা ও মৃত্যু শাহজালাল বিমানবন্দরে হট্টগোলের মামলায় জামিন পেলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান ছেলের এইচএসসি পাসের পর পদ হারালেন চুয়াডাঙ্গা ছাত্রদল সভাপতি নড়াইলের লোহাগড়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত: ঋণের চেক ও চারা বিতরণ ট্রাম্পের হুমকির জবাবে কঠোর পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির নিয়োগের নামে ভুয়া গুগল ফরম, দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান বিমানের ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে আইজেনকোট

জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখায়: নাহিদ ইসলাম

  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / 128
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার। শিক্ষা ও চিকিৎসায় বৈষম্যের শিকার। আমরা এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যে বাংলাদেশে কোন আঞ্চলিক বৈষম্য থাকবেনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখায়।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গত ১ জুলাই থেকে বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধানের দাবিতে দেশব্যাপী ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ শীর্ষক দেশব্যাপী কর্মসূচি পালন করছেন।

পদযাত্রার ষষ্ঠ দিনে আজ রোববার দলটির নেতাকর্মীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ এসে পৌঁছে। পদযাত্রাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহরের শান্তির মোড় এলাকা থেকে শুরু হয়ে বাতেন খাঁ মোড়, নিমতলা মোড়, বড় ইন্দারা মোড় প্রদক্ষিণ করে কলেজ চত্বর এসে শেষ হয়। পদযাত্রা শেষে কলেজ চত্বরের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নাহিদ এসব কথা বলেন।

নাহিদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্তা নিয়ে আমরা আপনাদের কাছে এসেছি। যে বার্তা ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখায়। যে বার্তা একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখায়। আমরা সেই বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মসংস্থানের কোন ব্যবস্থা নেই। এ এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, চিকিৎসায় বৈষম্যের শিকার হয়ে আছে।

নাহিদ ইসলাম, আমরা আপনাদের সমস্যার কথাগুলো শুনতে এসেছি। আমরা জানি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী কিন্তু আমকে শিল্পে পরিণত করতে, রপ্তানি করতে কোন সরকারই উদ্যেগ নেয়নি। আমরা জানি চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেশম শিল্পের জন্য বিখ্যাত। এই রেশম শিল্প দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কোন ধরনের উদ্যেগই নেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের যে জাতীয় শিল্প রয়েছে, কুটির শিল্প রয়েছে সেগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমাদের সীমান্তের প্রতিরোধের প্রতীক। চাঁপাইনবাবগঞ্জ মানে সীমান্তে কাস্তে হাতে বসে থাকা সেই কৃষক। আমরা সেই কৃষকের সন্তান, যারা বুলেটের সামনে বুক পেতে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি।

স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই শহীদের কথা উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, শহীদেরা যে স্বপ্নের দেশ গড়ার জন্য জীবন দিয়েছিল আমরা যেন সে স্বপ্নের দেশ বিনির্মাণ করতে পারি। নতুন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য তারা জীবন দিয়েছে। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন আমাদের দায়িত্ব। আমরা তা খেয়ানত করতে পারবোনা।

সীমান্তে বিএসএফ এর হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি দিয়ে নাহিদ বলেন, আমরা বিএসএফ এর আগ্রাসী আচরণ আর মেনে নেবনা। যদি সীমান্তে আর কোন আগ্রাসন চালানো হয়, আমাদের ভাইদের উপর হত্যাচেষ্টা চালানো হয় তবে আমরা সীমান্তে লংমার্চ ঘোষণা করবো। আমরাই আমাদের সীমান্ত রক্ষা করবো।

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, দীর্ঘসময় আপনারা আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। নতুন বাংলাদেশে আমরা আর কোন রাজনৈতিক বৈষম্য দেখতে চাইনা। নতুন এই বাংলাদেশকে নতুন কায়দায় পরিচালনা করার জন্য অবশ্যই একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখায়: নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় : ১০:৩৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার। শিক্ষা ও চিকিৎসায় বৈষম্যের শিকার। আমরা এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যে বাংলাদেশে কোন আঞ্চলিক বৈষম্য থাকবেনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখায়।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গত ১ জুলাই থেকে বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধানের দাবিতে দেশব্যাপী ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ শীর্ষক দেশব্যাপী কর্মসূচি পালন করছেন।

পদযাত্রার ষষ্ঠ দিনে আজ রোববার দলটির নেতাকর্মীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ এসে পৌঁছে। পদযাত্রাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহরের শান্তির মোড় এলাকা থেকে শুরু হয়ে বাতেন খাঁ মোড়, নিমতলা মোড়, বড় ইন্দারা মোড় প্রদক্ষিণ করে কলেজ চত্বর এসে শেষ হয়। পদযাত্রা শেষে কলেজ চত্বরের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নাহিদ এসব কথা বলেন।

নাহিদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্তা নিয়ে আমরা আপনাদের কাছে এসেছি। যে বার্তা ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখায়। যে বার্তা একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখায়। আমরা সেই বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মসংস্থানের কোন ব্যবস্থা নেই। এ এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, চিকিৎসায় বৈষম্যের শিকার হয়ে আছে।

নাহিদ ইসলাম, আমরা আপনাদের সমস্যার কথাগুলো শুনতে এসেছি। আমরা জানি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী কিন্তু আমকে শিল্পে পরিণত করতে, রপ্তানি করতে কোন সরকারই উদ্যেগ নেয়নি। আমরা জানি চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেশম শিল্পের জন্য বিখ্যাত। এই রেশম শিল্প দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কোন ধরনের উদ্যেগই নেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের যে জাতীয় শিল্প রয়েছে, কুটির শিল্প রয়েছে সেগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমাদের সীমান্তের প্রতিরোধের প্রতীক। চাঁপাইনবাবগঞ্জ মানে সীমান্তে কাস্তে হাতে বসে থাকা সেই কৃষক। আমরা সেই কৃষকের সন্তান, যারা বুলেটের সামনে বুক পেতে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি।

স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই শহীদের কথা উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, শহীদেরা যে স্বপ্নের দেশ গড়ার জন্য জীবন দিয়েছিল আমরা যেন সে স্বপ্নের দেশ বিনির্মাণ করতে পারি। নতুন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য তারা জীবন দিয়েছে। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন আমাদের দায়িত্ব। আমরা তা খেয়ানত করতে পারবোনা।

সীমান্তে বিএসএফ এর হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি দিয়ে নাহিদ বলেন, আমরা বিএসএফ এর আগ্রাসী আচরণ আর মেনে নেবনা। যদি সীমান্তে আর কোন আগ্রাসন চালানো হয়, আমাদের ভাইদের উপর হত্যাচেষ্টা চালানো হয় তবে আমরা সীমান্তে লংমার্চ ঘোষণা করবো। আমরাই আমাদের সীমান্ত রক্ষা করবো।

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, দীর্ঘসময় আপনারা আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। নতুন বাংলাদেশে আমরা আর কোন রাজনৈতিক বৈষম্য দেখতে চাইনা। নতুন এই বাংলাদেশকে নতুন কায়দায় পরিচালনা করার জন্য অবশ্যই একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস