ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালাল বিমানবন্দরে হট্টগোলের মামলায় জামিন পেলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান ছেলের এইচএসসি পাসের পর পদ হারালেন চুয়াডাঙ্গা ছাত্রদল সভাপতি নড়াইলের লোহাগড়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত: ঋণের চেক ও চারা বিতরণ ট্রাম্পের হুমকির জবাবে কঠোর পাল্টা আঘাতের নির্দেশ খামেনির নিয়োগের নামে ভুয়া গুগল ফরম, দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান বিমানের ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে আইজেনকোট লালমোহনে দৈনিক বাংলাদেশ বাণীর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত তাহসিফ সাউরি মামলা: জেরিকা দিশার চার দিনের রিমান্ড ওসমানী বিমানবন্দরে অন্তঃসত্ত্বা যাত্রীর লন্ডন ভ্রমণ বাতিল সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ, ১৭৭ কারখানায় আজকের ছুটি ঘোষণা

শাহজালাল বিমানবন্দরে হট্টগোলের মামলায় জামিন পেলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান

  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসদাচরণ ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান। রোববার (১ নভেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। শুনানিতে আসামির পক্ষে আইনি লড়াই করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে উত্তেজনা ও হট্টগোল ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২ অক্টোবর। ওই দিন বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংগ্রহ নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তিনি এক কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে বিমানবন্দর থানায় কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

উত্তেজনাপূর্ণ ওই ঘটনার পরপরই পুলিশ আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করে। তদন্তের খাতিরে তাঁকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে গত ৪ অক্টোবর তাঁকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন নিম্ন আদালতে তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলেও বিচারক তা নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে হাইকোর্টে রিভিশন ও জামিনের আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। দীর্ঘ শুনানি ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনার পর হাইকোর্ট বিভাগ তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আদালতের এই আদেশের ফলে তাঁর কারামুক্তির পথ সুগম হলো, তবে মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম আইন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে। তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে হট্টগোলের মামলায় জামিন পেলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান

আপডেট সময় : ১০:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসদাচরণ ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান। রোববার (১ নভেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। শুনানিতে আসামির পক্ষে আইনি লড়াই করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে উত্তেজনা ও হট্টগোল ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২ অক্টোবর। ওই দিন বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংগ্রহ নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তিনি এক কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে বিমানবন্দর থানায় কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

উত্তেজনাপূর্ণ ওই ঘটনার পরপরই পুলিশ আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করে। তদন্তের খাতিরে তাঁকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে গত ৪ অক্টোবর তাঁকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন নিম্ন আদালতে তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলেও বিচারক তা নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে হাইকোর্টে রিভিশন ও জামিনের আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। দীর্ঘ শুনানি ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনার পর হাইকোর্ট বিভাগ তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আদালতের এই আদেশের ফলে তাঁর কারামুক্তির পথ সুগম হলো, তবে মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম আইন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে। তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর।