নভেম্বরেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অপেক্ষায় কক্সবাজার বিমানবন্দর
- আপডেট সময় : ০২:২০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
- / 1
আসছে নভেম্বরের শুরুতেই কক্সবাজার আঞ্চলিক বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে এর কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। রাজধানীতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক রুটে যুক্ত করা গেলে দেশের পর্যটন শিল্পে বড় ধরনের গতি আসবে এবং বিদেশি পর্যটকদের পাশাপাশি প্রবাসীদের যাতায়াত অনেক সহজ হবে। পর্যটকদের সরাসরি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হলে কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হলে বিদেশি পর্যটকদের পাশাপাশি দেশের বাইরে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কক্সবাজারে যাতায়াতও সহজ হতে পারে।
বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ। সরকার এই হার ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। কক্সবাজার দেশের প্রধান পর্যটন গন্তব্য হওয়ায় এখানে আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরির প্রত্যাশা করছে সরকার।
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। পর্যটন খাতের উন্নয়ন, ডিজিটাল রূপান্তর, টেকসই সেবা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড মোট ১৩টি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেয়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে নতুন উচ্চতায় নিতে সরকারের নানামুখী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে পর্যটন খাতের প্রচারের উদ্দেশ্যে ১২টি বিশেষ স্টল স্থাপন করা হয়। এসব স্টলে জিআই পণ্য, ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনের পাশাপাশি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ভার্চুয়াল পর্যটন অভিজ্ঞতার প্রদর্শন করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত অবকাঠামোর সমন্বয়ে পর্যটন খাতকে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রকে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে আরও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকতসহ বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক এখানে ভ্রমণ করেন। এর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা দেশের বিভিন্ন পর্যটনস্থল সম্পর্কে আধুনিক ও আকর্ষণীয় উপায়ে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পান।

























