ঢাকা ০৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে স্বৈরাচারী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনায় ২৫ মাসে ২২৫ মৃত্যুর ঘটনা: অপরাধের স্বর্গরাজ্যে আতঙ্কিত জনজীবন শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের বড় অংশীদারত্ব খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্যে বিএনপি নেতার ছেলেকে মৃত্যুর ঘটনায় বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ভারসাম্যহীন নারীর মৃত্যু আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা, আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমনি ইয়েমেনে সংঘাত বন্ধে ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চায় হুথিরা গ্যাস-বিদ্যুতের দাম ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে বাড্ডায় জামায়াতের বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডের রায় বহাল

  • আপডেট সময় : ০২:০৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • / 137
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) দশম গ্রেডে উন্নীত এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এ সংক্রান্ত রিভিউ নিষ্পত্তি করে আজ রায় দেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ।

আজকের এই রায়ের ফলে ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) দশম গ্রেডে এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে বেতন ভাতা ও মর্যাদা পাবেন বলে জানান শিক্ষকদের পক্ষের আইনজীবী।

আদালতে শিক্ষকদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন। রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১১তম এবং অপ্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১২তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করে। এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০১৮ সালের ৪ মার্চ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজসহ সংক্ষুব্ধ ৪৫ শিক্ষক। সে রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। রুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) ১১তম ও ১২তম স্কেলে বেতন নির্ধারণ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একপর্যায়ে চূড়ান্ত শুনানি ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) দশম গ্রেডে উন্নীত করতে এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ দেয়া হয়।

তবে হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) খারিজ করে দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। পরবর্তী আপিল বিভাগের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করা হয়।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডের রায় বহাল

আপডেট সময় : ০২:০৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) দশম গ্রেডে উন্নীত এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এ সংক্রান্ত রিভিউ নিষ্পত্তি করে আজ রায় দেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ।

আজকের এই রায়ের ফলে ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) দশম গ্রেডে এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে বেতন ভাতা ও মর্যাদা পাবেন বলে জানান শিক্ষকদের পক্ষের আইনজীবী।

আদালতে শিক্ষকদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন। রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১১তম এবং অপ্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১২তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করে। এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০১৮ সালের ৪ মার্চ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজসহ সংক্ষুব্ধ ৪৫ শিক্ষক। সে রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। রুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) ১১তম ও ১২তম স্কেলে বেতন নির্ধারণ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একপর্যায়ে চূড়ান্ত শুনানি ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) দশম গ্রেডে উন্নীত করতে এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ দেয়া হয়।

তবে হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) খারিজ করে দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। পরবর্তী আপিল বিভাগের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করা হয়।

বিডিসংবাদ/এএইচএস