ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাঁথিয়ায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ফ্রান্সে কারফিউয়ে নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি, নতুন বিক্ষোভের শঙ্কা শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের স্টোরে ধোঁয়া তুরস্কের সঙ্গে বিতর্কিত সামুদ্রিক চুক্তিতে অনুমোদন লিবিয়ার পার্লামেন্টের মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পরিত্যক্ত শুটারগান ও কার্তুজ উদ্ধার কলকারখানায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরের ভাড়া বাসায় ডিজে পার্টি ও অসামাজিক রাজাপুরে ইজিবাইক উল্টে ১০ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রভাবে বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত ১২ উড়োজাহাজ নিয়ে উভয় সংকট

বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক-সিটি কর্পোরেশনের অংশীদারিত্ব জরুরি: ডিএসসিসি প্রশাসক

  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 70
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

বর্জ্যমুক্ত ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সিটি কর্পোরেশনের কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয় অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ঢাকাকে সম্পূর্ণ বর্জ্যমুক্ত করতে হলে নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একটি ‘৫০-৫০’ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে। নাগরিকরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করেন, তাহলে অর্ধেক কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। বাকি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে সিটি কর্পোরেশন।

রাজধানীর নগর ভবনে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) আয়োজিত ‘রাউন্ড টেবল অ্যান্ড ইউথ-পলিসি ডায়ালগ অন এক্সিলারেটিং জিরো ওয়েস্ট ইন ঢাকা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

প্রশাসক তার বক্তব্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি বাস্তবমুখী রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, নগরবাসীর আচরণগত পরিবর্তন ছাড়া কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না। তিনি উৎস পর্যায়ে বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) এবং কম্পোস্টিং ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি জানান, সরকারের ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ডিএসসিসি ইতোমধ্যে মাতুয়াইল ল্যান্ড ফিল্ড এলাকায় একটি আধুনিক ‘ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।

জনসচেতনতার অভাবকে বর্জ্য সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বর্জ্য পৃথকীকরণ ও পুনর্ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তিনি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর ৩০ মার্চ বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস পালন করা হয় ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম এবং ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যান সেটলমেন্টস প্রোগ্রাম-এর উদ্যোগে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘খাদ্য অপচয় রোধ’, যা টেকসই ভোগ ও উৎপাদন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং নীতিনির্ধারকরা অংশ নেন। তারা ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক-সিটি কর্পোরেশনের অংশীদারিত্ব জরুরি: ডিএসসিসি প্রশাসক

আপডেট সময় : ১১:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

বর্জ্যমুক্ত ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সিটি কর্পোরেশনের কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয় অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ঢাকাকে সম্পূর্ণ বর্জ্যমুক্ত করতে হলে নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একটি ‘৫০-৫০’ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে। নাগরিকরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করেন, তাহলে অর্ধেক কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। বাকি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে সিটি কর্পোরেশন।

রাজধানীর নগর ভবনে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) আয়োজিত ‘রাউন্ড টেবল অ্যান্ড ইউথ-পলিসি ডায়ালগ অন এক্সিলারেটিং জিরো ওয়েস্ট ইন ঢাকা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

প্রশাসক তার বক্তব্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি বাস্তবমুখী রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, নগরবাসীর আচরণগত পরিবর্তন ছাড়া কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না। তিনি উৎস পর্যায়ে বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) এবং কম্পোস্টিং ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি জানান, সরকারের ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ডিএসসিসি ইতোমধ্যে মাতুয়াইল ল্যান্ড ফিল্ড এলাকায় একটি আধুনিক ‘ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।

জনসচেতনতার অভাবকে বর্জ্য সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বর্জ্য পৃথকীকরণ ও পুনর্ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তিনি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর ৩০ মার্চ বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস পালন করা হয় ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম এবং ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যান সেটলমেন্টস প্রোগ্রাম-এর উদ্যোগে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘খাদ্য অপচয় রোধ’, যা টেকসই ভোগ ও উৎপাদন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং নীতিনির্ধারকরা অংশ নেন। তারা ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বিডিসংবাদ/এএইচএস