ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাপ্তাই লেকের পানি ছাড়া নিয়ে শঙ্কা পুরো ইয়েমেনের দখল নিতে মরিয়া হুথি বিদ্রোহীরা রাশিয়ায় আন্তর্জাতিক যুব উৎসবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে লিফটে আগুন, হুড়োহুড়িতে শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু শাহজালালে ২২৩ কার্টন সিগারেট ও মোবাইল ডিসপ্লেসহ আটক ৩ নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নীতির বিরুদ্ধে নিউইয়র্ক সিটির মামলা স্লো ওভার রেটের শাস্তি: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১১ পয়েন্ট হারাল পাকিস্তান কিম জং উনের কি কোনো ছেলে সন্তান আছে? উত্তর খুঁজছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ভোলায় বৃদ্ধ বাবাকে নিরাপত্তা ঘটনায় ও নির্যাতনের ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার ইতালিতে হামলার শিকার বাঁধন: দেশে ফিরে টিমের বর্জনের আক্ষেপের কথা জানালেন অভিনেত্রী

শাহজালালে ২২৩ কার্টন সিগারেট ও মোবাইল ডিসপ্লেসহ আটক ৩

  • আপডেট সময় : ০৯:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 7
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো পৃথক তিনটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি পণ্য আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের বি-শিফটের কর্মকর্তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আগত যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করেন। উদ্ধার হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট, ৪৪টি ভেপ এবং ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, দুবাই থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে-৫৮৪ ফ্লাইটে আসা যাত্রী আবদুল করিম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় কর্মকর্তাদের সন্দেহের তালিকায় পড়েন। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে এয়ারএশিয়ার একে-৭১ ফ্লাইটে আসা যাত্রী শেপনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৪৪টি ভেপ জব্দ করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে জব্দকৃত এসব পণ্য কাস্টমসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

চীনের গুয়াংজু থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস-৩২৬ ফ্লাইটে আসা দুই যাত্রীর কাছ থেকেও বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে যাত্রী কে এম তোফায়েল আহমেদের কাছে ৯৮টি এবং শামিমা আক্তারের কাছে ৪৬টি মোবাইল ডিসপ্লে পাওয়া যায়। দুই যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে সব মিলিয়ে ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।

তিনটি ভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে আসা যাত্রীদের কাছে বিপুল পণ্য পাওয়ায় বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র জড়িত কি না কিংবা ওই যাত্রীদের অর্থের বিনিময়ে বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না—তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধারকৃত পণ্যগুলোর বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালালে ২২৩ কার্টন সিগারেট ও মোবাইল ডিসপ্লেসহ আটক ৩

আপডেট সময় : ০৯:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো পৃথক তিনটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি পণ্য আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের বি-শিফটের কর্মকর্তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আগত যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করেন। উদ্ধার হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট, ৪৪টি ভেপ এবং ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, দুবাই থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে-৫৮৪ ফ্লাইটে আসা যাত্রী আবদুল করিম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় কর্মকর্তাদের সন্দেহের তালিকায় পড়েন। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে এয়ারএশিয়ার একে-৭১ ফ্লাইটে আসা যাত্রী শেপনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৪৪টি ভেপ জব্দ করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে জব্দকৃত এসব পণ্য কাস্টমসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

চীনের গুয়াংজু থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস-৩২৬ ফ্লাইটে আসা দুই যাত্রীর কাছ থেকেও বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে যাত্রী কে এম তোফায়েল আহমেদের কাছে ৯৮টি এবং শামিমা আক্তারের কাছে ৪৬টি মোবাইল ডিসপ্লে পাওয়া যায়। দুই যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে সব মিলিয়ে ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।

তিনটি ভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে আসা যাত্রীদের কাছে বিপুল পণ্য পাওয়ায় বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র জড়িত কি না কিংবা ওই যাত্রীদের অর্থের বিনিময়ে বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না—তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধারকৃত পণ্যগুলোর বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।