ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তিন সিটির উন্নয়নসহ ১৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন লটারি বাতিল করে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ রসায়নে নোবেল পেলেন জাপান ও ফ্রান্সের দুই বিজ্ঞানী দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে কমছে যাত্রী সংখ্যা জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল, লিটারে বৃদ্ধি ১৭ টাকা বড়াইগ্রামের সানাউল্লাহ বাবু নিহতের ১৬ বছর: বিচারের অপেক্ষায় পরিবার দিল্লিতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর উচ্চপর্যায়ের সিরিজ বৈঠক রাজাপুরে যুবদল নেতাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া মৃত্যুর ঘটনা: ভারতে পালানোর সময় গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময় : ১১:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসানসহ তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শুইলপুর গ্রাম থেকে আজ মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে সদর থানা, কালিগঞ্জ থানা ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি যৌথ দল অংশ নেয়।

গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাকার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে। তার সঙ্গে আটক সহযোগী অমিত হাসান ওরফে শিপন হাসানও একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের সন্তান। সদর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসামিরা সীমান্ত পার হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। এর আগে মামলার আরেক এজাহারভুক্ত আসামি মুহিদ হাসান বনিকে শনিবার ভোরে তার নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। তার সহযোগী অমিত হাসান ওরফে শিপন হাসান (৩০) একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের ছেলে।

উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরস্থ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে এক চায়ের দোকানে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য নাহিদ ও তার সহযোগীদের সাথে চায়ের দোকানদার রবিউল ইসলামের ভাইপো বাপ্পি হাসানের কথা-কাটাকাটি হয়। সেই বিবাদের সময় বাপ্পি হাসানকে বাঁচাতে এগিয়ে গিয়ে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন কলেজছাত্র জাকারিয়া। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পর নিহতের ভাই শাহারিয়ার খাঁন বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫ থেকে ৭ জনকে আসামি করে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিদের ধরতে ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া মৃত্যুর ঘটনা: ভারতে পালানোর সময় গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসানসহ তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শুইলপুর গ্রাম থেকে আজ মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে সদর থানা, কালিগঞ্জ থানা ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি যৌথ দল অংশ নেয়।

গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাকার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে। তার সঙ্গে আটক সহযোগী অমিত হাসান ওরফে শিপন হাসানও একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের সন্তান। সদর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসামিরা সীমান্ত পার হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। এর আগে মামলার আরেক এজাহারভুক্ত আসামি মুহিদ হাসান বনিকে শনিবার ভোরে তার নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। তার সহযোগী অমিত হাসান ওরফে শিপন হাসান (৩০) একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের ছেলে।

উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরস্থ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে এক চায়ের দোকানে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য নাহিদ ও তার সহযোগীদের সাথে চায়ের দোকানদার রবিউল ইসলামের ভাইপো বাপ্পি হাসানের কথা-কাটাকাটি হয়। সেই বিবাদের সময় বাপ্পি হাসানকে বাঁচাতে এগিয়ে গিয়ে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন কলেজছাত্র জাকারিয়া। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পর নিহতের ভাই শাহারিয়ার খাঁন বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫ থেকে ৭ জনকে আসামি করে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিদের ধরতে ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।