ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দুর্গাপূজা রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা: রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অটুট প্রতিশ্রুতি: প্রধানমন্ত্রী রিজেন্ট এয়ারওয়েজের মূল প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের নির্দেশ হাইকোর্টের ২৪ অক্টোবর নিউইয়র্কে এএবিইএ-এর দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ইসরাইলের নির্বাচনে আরব ভোট ও নেতানিয়াহুর রাজনীতির হিসাব জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই আগামীর মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী দখলমুক্ত হয়ে খেলার মাঠ এখন শিশুদের জন্য উন্মুক্ত সাতক্ষীরায় আলোচিত যুবক মৃত্যুর ঘটনায় মূল অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ভিয়েতনামের কোয়াং ত্রি বিমানবন্দরে সফল কারিগরি ফ্লাইট পরিচালনা প্রধানমন্ত্রী: জাতীয় স্বার্থে সরকার সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব সুদৃঢ়

মানবাধিকার রক্ষায় ৪৫ কোটি ২০ লাখ ডলার সাহায্যের আবেদন জাতিসঙ্ঘের

  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৩
  • / 132
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জাতিসঙ্ঘের শীর্ষ মানবাধিকার কর্মকর্তা ভলকার তুর্ক শুক্রবার এই বছর বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায়, হাইকমিশনারের অফিসের গঠনমূলক কাজের জন্য ৪৫ কোটি ২০ লাখ ডলার অর্থায়নের জন্য দাতাদের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।

হাই কমিশনারের কার্যালয় মানবাধিকারের অভিভাবক ও রক্ষক। অপব্যবহার এবং সহিংসতার জন্য বিশ্বব্যাপী এটি একটি নজরদারি সংস্থা। রূঢ় আচরণ পরিবর্তনের জন্য চাপ দিতে সংস্থাটি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।

দাতাদের কাছে তার আবেদনে, মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক উল্লেখ করেছেন, মানবাধিকার ছাড়া টেকসই শান্তি কিংবা টেকসই উন্নয়ন কোনোটাই সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, স্থিতিশীলতা এবং ন্যায়বিচার অর্জনের জন্য বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে মানবাধিকারকে সমুন্নত রাখা জরুরি।

তুর্ক বলেন, আমাদের কর্মের উপর বিশেষভাবে জোর দিতে হবে- বিশ্বব্যাপী, আঞ্চলিকভাবে এবং দেশীয়ভাবে- যাতে আমরা বৈষম্য মোকাবেলা করতে পারি, সামাজিক সুরক্ষাকে শক্তিশালী করতে পারি, আমরা যেন যেকোনো বৈষম্য দূর করতে পারি এবং পরিবেশগত সঙ্কট এবং দুর্দশা ঘোচাতে সংঘাতের অন্যান্য মূল কারণগুলোকে চিহ্নিত করে তা প্রশমন করতে পারি।

হাই কমিশনারের কার্যালয়কে কঠিন কাজ সম্পাদন করতে হয়। বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সম্পর্কিত অনেক গুরুতর সঙ্কট রয়েছে যেগুলোর আশু সমাধান দরকার। এর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন, ইরানে প্রচণ্ড বিক্ষোভ, চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে তথাকথিত পুনঃশিক্ষা শিবিরে দশ লাখেরও বেশি উইঘুর মুসলিমকে অব্যাহত বন্দি রাখা এবং আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী বিদ্রোহ।

তুর্ক জোর দিয়ে বলেন, এইসব বাধা বিপত্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে মানবাধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত অপরিহার্য। তিনি বলেন, জাতিসঙ্ঘের মূল সনদে মানবাধিকারের বিষয়টি উল্লেখ আছে এবং তা বিশ্ব সংস্থাটির নীতি ও উদ্দেশ্যকে নির্দেশ করে।

তুর্ক বলেন, আমরা জানি, বিশ্বকে স্থিতিশীল রাখতে আমাদের এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি মানবাধিকার চর্চার প্রয়োজন। ইউডিএইচআর (ইউনিভার্সাল ডিক্লারেশন অফ হিউম্যান রাইটস) এর ৭৫তম বছরে এবং তার পরেও আমাদের উন্নত ভবিষ্যতের জন্য একটি দিক নির্দেশনা দরকার।

উল্লেখ্য, এই বছরটি মানবাধিকার বা ইউডিএইচআর -এর সর্বজনীন ঘোষণার ৭৫তম বার্ষিকী। হাই কমিশনার তুর্ক বলেছেন, তিনি ইউডিএইচআর -এর সেই প্রভাবশালী নথির বিষয়গুলো নতুন করে উজ্জীবিত করার জন্য এই বার্ষিকীটি কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছেন।

তিনি তহবিল বরাদ্দের জন্য এবং তার আবেদনকে সমর্থন করার জন্য দাতাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করছেন, যাতে করে তার অফিস সবার জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যত নির্মাণের ক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করতে পারে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মানবাধিকার রক্ষায় ৪৫ কোটি ২০ লাখ ডলার সাহায্যের আবেদন জাতিসঙ্ঘের

আপডেট সময় : ১২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জাতিসঙ্ঘের শীর্ষ মানবাধিকার কর্মকর্তা ভলকার তুর্ক শুক্রবার এই বছর বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায়, হাইকমিশনারের অফিসের গঠনমূলক কাজের জন্য ৪৫ কোটি ২০ লাখ ডলার অর্থায়নের জন্য দাতাদের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।

হাই কমিশনারের কার্যালয় মানবাধিকারের অভিভাবক ও রক্ষক। অপব্যবহার এবং সহিংসতার জন্য বিশ্বব্যাপী এটি একটি নজরদারি সংস্থা। রূঢ় আচরণ পরিবর্তনের জন্য চাপ দিতে সংস্থাটি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।

দাতাদের কাছে তার আবেদনে, মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক উল্লেখ করেছেন, মানবাধিকার ছাড়া টেকসই শান্তি কিংবা টেকসই উন্নয়ন কোনোটাই সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, স্থিতিশীলতা এবং ন্যায়বিচার অর্জনের জন্য বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে মানবাধিকারকে সমুন্নত রাখা জরুরি।

তুর্ক বলেন, আমাদের কর্মের উপর বিশেষভাবে জোর দিতে হবে- বিশ্বব্যাপী, আঞ্চলিকভাবে এবং দেশীয়ভাবে- যাতে আমরা বৈষম্য মোকাবেলা করতে পারি, সামাজিক সুরক্ষাকে শক্তিশালী করতে পারি, আমরা যেন যেকোনো বৈষম্য দূর করতে পারি এবং পরিবেশগত সঙ্কট এবং দুর্দশা ঘোচাতে সংঘাতের অন্যান্য মূল কারণগুলোকে চিহ্নিত করে তা প্রশমন করতে পারি।

হাই কমিশনারের কার্যালয়কে কঠিন কাজ সম্পাদন করতে হয়। বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সম্পর্কিত অনেক গুরুতর সঙ্কট রয়েছে যেগুলোর আশু সমাধান দরকার। এর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন, ইরানে প্রচণ্ড বিক্ষোভ, চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে তথাকথিত পুনঃশিক্ষা শিবিরে দশ লাখেরও বেশি উইঘুর মুসলিমকে অব্যাহত বন্দি রাখা এবং আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী বিদ্রোহ।

তুর্ক জোর দিয়ে বলেন, এইসব বাধা বিপত্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে মানবাধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত অপরিহার্য। তিনি বলেন, জাতিসঙ্ঘের মূল সনদে মানবাধিকারের বিষয়টি উল্লেখ আছে এবং তা বিশ্ব সংস্থাটির নীতি ও উদ্দেশ্যকে নির্দেশ করে।

তুর্ক বলেন, আমরা জানি, বিশ্বকে স্থিতিশীল রাখতে আমাদের এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি মানবাধিকার চর্চার প্রয়োজন। ইউডিএইচআর (ইউনিভার্সাল ডিক্লারেশন অফ হিউম্যান রাইটস) এর ৭৫তম বছরে এবং তার পরেও আমাদের উন্নত ভবিষ্যতের জন্য একটি দিক নির্দেশনা দরকার।

উল্লেখ্য, এই বছরটি মানবাধিকার বা ইউডিএইচআর -এর সর্বজনীন ঘোষণার ৭৫তম বার্ষিকী। হাই কমিশনার তুর্ক বলেছেন, তিনি ইউডিএইচআর -এর সেই প্রভাবশালী নথির বিষয়গুলো নতুন করে উজ্জীবিত করার জন্য এই বার্ষিকীটি কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছেন।

তিনি তহবিল বরাদ্দের জন্য এবং তার আবেদনকে সমর্থন করার জন্য দাতাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করছেন, যাতে করে তার অফিস সবার জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যত নির্মাণের ক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করতে পারে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস