ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্প-শিক্ষায়তন বক্তৃতামালার দ্বিতীয় পর্ব শুরু

  • আপডেট সময় : ১২:৪০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩
  • / 259
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) উদ্যোগে আয়োজিত ‘শিল্প-শিক্ষায়তন সংযোগ উন্নয়ন’ বক্তৃতামালার দ্বিতীয় পর্বের প্রথম অনুষ্ঠানের মূল বক্তা আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান সেখ নাসির উদ্দিন বলেছেন, নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূলতা মোকাবেলা করেও বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা দেশে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য নয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে চলছেন, যা রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু এরপরও তাদেরকে এমন কিছু সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যেগুলোর সমাধানের এখতিয়ার তাদের হাতে নেই।

তিনি বলেন, বেসরকারি উদ্যোক্তারা কাজের জন্য নতুন পদ তৈরি করছেন। কিন্তু উক্ত পদ পূরণের জন্য উপযুক্ত ও দক্ষ লোকবল না পেয়ে তাদেরকে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। নিরূপায় হয়ে কেউ কেউ উচ্চ বেতন দিয়ে বিদেশ থেকেও লোকজন নিয়ে আসছেন এবং এতে করে পণ্য ও সেবার উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিষয়টির স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে তথা মানসম্মত স্নাতক তৈরির উদ্যোগ খুবই সীমিত। বেসরকারি খাতের প্রথম সারির ৮/১০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা পাশ করে বেরুচ্ছে, তাদের একটি বড় অংশ রাষ্ট্র, সমাজ ও ব্যক্তি সকলের জন্যই মানবসম্পদ না হয়ে উল্টো বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের ন্যায় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেন তা পারছে না, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশনের (ইউজিসি) উচিৎ তা ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উক্ত বক্তৃতা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআইইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম লুৎফুর রহমান। সভায় বক্তব্য রাখেন ডিআইইউ’র শিক্ষা বিষয়ক ডিন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল এবং ব্যবসায় ও উদ্যোক্তাবৃত্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মাসুম ইকবাল। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডিআইইউ’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুল হক মজুমদার এবং স্বাগত বক্তব্য রাখবেন ডিআইইউ’র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনোভেশন সেন্টারের প্রকল্প পরিচালক আবু তাহের খান।

এছাড়া ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান একটি ভিডিও বার্তায় তার শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।

ড. মো. সবুর খান বলেন, বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত যে বিশাল অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে তার জন্য সেখ আকিজ উদ্দিনের মতো মানুষ আমাদের দেশে সবসময়ই স্মরণীয়। আমরা সৌভাগ্যবান যে তাদের মতো মানুষেরা আমাদের অর্থনীতির নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এখনো তার সুযোগ্য সন্তানেরা সেই ধারা অব্যহত রেখেছেন। আমি আশা করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের কথা পড়বে, শুনবে এবং সেই অনুযায়ী তারাও এক সময় আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. এম. লুৎফর রহমান বলেন, আকিজ উদ্দিন সাহেবের মতো মানুষ ও আকিজ গ্রæপের মতো প্রতিষ্ঠান নিয়ে আমাদের শেখার অনেক জায়গা আছে। আজকের এই সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান থেকেই আমরা সবাই উপলব্ধি হলাম, ব্যবসা করার জন্য টাকার চাইতে বরং কত বেশি পরিমাণ মানসিক শক্তির প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতেই উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা বিভাগ রয়েছে, আশা করি আমাদের শিক্ষার্থীরা এই আয়োজন ও সেখ নাসির উদ্দিন সাহেবের দিক নির্দেশনা থেকে অনেক কিছুই অর্জন করেছে।

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যাগে শিল্প-শিক্ষায়তন বক্তৃতালা প্রথম শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং সেই থেকে প্রথম পর্বের আওতায় মোট ১৩ জন দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট উদ্যোক্তা উদ্যোক্তা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের বক্তব্য রাখেন, যেগুলোর একটি বড় অংশ পরে প্রবন্ধ আকারোে প্রকাশিত হয়।

উল্লিখিত বক্তৃতামালার সাথে সঙ্গতি রেখেই ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি ১৯৪৭-পূর্ব সময়ে জন্মগ্রহণকারী দেশের ১২ অগ্রণী বরেণ্য উদ্যোক্তাদেরকে নিয়ে ‘পথিকৃৎ উদ্যোক্তাদের জীবনসংগ্রাম’ শীর্ষক একটি গ্রন্থ প্রকাশ করে। ড. মো. সবুর খানের সম্পাদনায় প্রকাশিত উক্ত গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড শিগগিরই প্রকাশিত হবে বলে জানা যায়, যেখানে ১৯৪৭-৭১ মধ্যবর্তী সময়ে জন্মগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের জীবনবৃত্তান্ত অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে।

ডিআইইউ শিল্ল-শিক্ষায়তন সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ক বক্তৃতামালার আগামী ১১ মার্চের পরবর্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্প-শিক্ষায়তন বক্তৃতামালার দ্বিতীয় পর্ব শুরু

আপডেট সময় : ১২:৪০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) উদ্যোগে আয়োজিত ‘শিল্প-শিক্ষায়তন সংযোগ উন্নয়ন’ বক্তৃতামালার দ্বিতীয় পর্বের প্রথম অনুষ্ঠানের মূল বক্তা আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান সেখ নাসির উদ্দিন বলেছেন, নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূলতা মোকাবেলা করেও বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা দেশে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য নয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে চলছেন, যা রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু এরপরও তাদেরকে এমন কিছু সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যেগুলোর সমাধানের এখতিয়ার তাদের হাতে নেই।

তিনি বলেন, বেসরকারি উদ্যোক্তারা কাজের জন্য নতুন পদ তৈরি করছেন। কিন্তু উক্ত পদ পূরণের জন্য উপযুক্ত ও দক্ষ লোকবল না পেয়ে তাদেরকে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। নিরূপায় হয়ে কেউ কেউ উচ্চ বেতন দিয়ে বিদেশ থেকেও লোকজন নিয়ে আসছেন এবং এতে করে পণ্য ও সেবার উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিষয়টির স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে তথা মানসম্মত স্নাতক তৈরির উদ্যোগ খুবই সীমিত। বেসরকারি খাতের প্রথম সারির ৮/১০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা পাশ করে বেরুচ্ছে, তাদের একটি বড় অংশ রাষ্ট্র, সমাজ ও ব্যক্তি সকলের জন্যই মানবসম্পদ না হয়ে উল্টো বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের ন্যায় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেন তা পারছে না, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশনের (ইউজিসি) উচিৎ তা ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত উক্ত বক্তৃতা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআইইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম লুৎফুর রহমান। সভায় বক্তব্য রাখেন ডিআইইউ’র শিক্ষা বিষয়ক ডিন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল এবং ব্যবসায় ও উদ্যোক্তাবৃত্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মাসুম ইকবাল। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডিআইইউ’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুল হক মজুমদার এবং স্বাগত বক্তব্য রাখবেন ডিআইইউ’র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনোভেশন সেন্টারের প্রকল্প পরিচালক আবু তাহের খান।

এছাড়া ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান একটি ভিডিও বার্তায় তার শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।

ড. মো. সবুর খান বলেন, বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত যে বিশাল অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে তার জন্য সেখ আকিজ উদ্দিনের মতো মানুষ আমাদের দেশে সবসময়ই স্মরণীয়। আমরা সৌভাগ্যবান যে তাদের মতো মানুষেরা আমাদের অর্থনীতির নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এখনো তার সুযোগ্য সন্তানেরা সেই ধারা অব্যহত রেখেছেন। আমি আশা করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের কথা পড়বে, শুনবে এবং সেই অনুযায়ী তারাও এক সময় আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. এম. লুৎফর রহমান বলেন, আকিজ উদ্দিন সাহেবের মতো মানুষ ও আকিজ গ্রæপের মতো প্রতিষ্ঠান নিয়ে আমাদের শেখার অনেক জায়গা আছে। আজকের এই সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান থেকেই আমরা সবাই উপলব্ধি হলাম, ব্যবসা করার জন্য টাকার চাইতে বরং কত বেশি পরিমাণ মানসিক শক্তির প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতেই উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা বিভাগ রয়েছে, আশা করি আমাদের শিক্ষার্থীরা এই আয়োজন ও সেখ নাসির উদ্দিন সাহেবের দিক নির্দেশনা থেকে অনেক কিছুই অর্জন করেছে।

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যাগে শিল্প-শিক্ষায়তন বক্তৃতালা প্রথম শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং সেই থেকে প্রথম পর্বের আওতায় মোট ১৩ জন দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট উদ্যোক্তা উদ্যোক্তা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের বক্তব্য রাখেন, যেগুলোর একটি বড় অংশ পরে প্রবন্ধ আকারোে প্রকাশিত হয়।

উল্লিখিত বক্তৃতামালার সাথে সঙ্গতি রেখেই ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি ১৯৪৭-পূর্ব সময়ে জন্মগ্রহণকারী দেশের ১২ অগ্রণী বরেণ্য উদ্যোক্তাদেরকে নিয়ে ‘পথিকৃৎ উদ্যোক্তাদের জীবনসংগ্রাম’ শীর্ষক একটি গ্রন্থ প্রকাশ করে। ড. মো. সবুর খানের সম্পাদনায় প্রকাশিত উক্ত গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড শিগগিরই প্রকাশিত হবে বলে জানা যায়, যেখানে ১৯৪৭-৭১ মধ্যবর্তী সময়ে জন্মগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের জীবনবৃত্তান্ত অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে।

ডিআইইউ শিল্ল-শিক্ষায়তন সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ক বক্তৃতামালার আগামী ১১ মার্চের পরবর্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী।