ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তিন সিটির উন্নয়নসহ ১৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন লটারি বাতিল করে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ রসায়নে নোবেল পেলেন জাপান ও ফ্রান্সের দুই বিজ্ঞানী দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে কমছে যাত্রী সংখ্যা জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল, লিটারে বৃদ্ধি ১৭ টাকা বড়াইগ্রামের সানাউল্লাহ বাবু নিহতের ১৬ বছর: বিচারের অপেক্ষায় পরিবার দিল্লিতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর উচ্চপর্যায়ের সিরিজ বৈঠক রাজাপুরে যুবদল নেতাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান

  • আপডেট সময় : ১০:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 1
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি, লাগেজ চুরি ও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের কারণে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান যাত্রী ও প্রবাসীদের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। তার পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে তাকে ‘ফাটাকেষ্ট’ নামেও ডাকতেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাকে আগের মতো সক্রিয় না দেখায় তিনি বিমানবন্দরে আছেন কি না, তা নিয়ে ফেসবুক ও ইউটিউবে নানা ধরনের বদলি সংক্রান্ত গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল।

এসব গুঞ্জন নাকচ করে নওশাদ খান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। নিজের বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে তিনি জানান, ‘আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। একটু আগে লাগেজের কাজ করলাম।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগের তুলনায় কম উপস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, মূলত ব্যক্তিগত কারণেই তিনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো এড়িয়ে চলেন। বিমানবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, অনলাইনে অনেক তথ্য প্রচার পেলেও নির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া মাত্রই কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। তাই যেকোনো ভোগান্তির বিষয়ে যাত্রীদের সরাসরি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে ঢাকার এই বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন শুরু করেন নওশাদ খান। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিমানবন্দরের কর্মীদের জবাবদিহির আওতায় আনা শুরু করেন। লাগেজ হ্যান্ডলিং ও রিলিজ প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত কর্মীদের বডি ক্যামেরার আওতায় আনা এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা অনিয়ম দমনে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। এতে বিমানবন্দরের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়বে বলে আশা তৈরি হয়েছিল।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা নিয়ে আবারও নতুন করে নানা অভিযোগ সামনে আসছে। লাগেজ পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা, ট্রলির সংকট এবং অন্যান্য সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হয়ে যাত্রীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি সরবরাহ সংক্রান্ত উত্তেজনার ঘটনা বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নওশাদ খানের পুরোনো অভিযানের ভিডিও শেয়ার করে তাকে আবারও সক্রিয় দেখতে চেয়ে মন্তব্য করছেন। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, যাত্রীদের অভিযোগে দ্রুত ছুটে যাওয়া সেই কর্মকর্তা এখন কোথায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান

আপডেট সময় : ১০:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি, লাগেজ চুরি ও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের কারণে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান যাত্রী ও প্রবাসীদের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। তার পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে তাকে ‘ফাটাকেষ্ট’ নামেও ডাকতেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাকে আগের মতো সক্রিয় না দেখায় তিনি বিমানবন্দরে আছেন কি না, তা নিয়ে ফেসবুক ও ইউটিউবে নানা ধরনের বদলি সংক্রান্ত গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল।

এসব গুঞ্জন নাকচ করে নওশাদ খান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। নিজের বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে তিনি জানান, ‘আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। একটু আগে লাগেজের কাজ করলাম।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগের তুলনায় কম উপস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, মূলত ব্যক্তিগত কারণেই তিনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো এড়িয়ে চলেন। বিমানবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, অনলাইনে অনেক তথ্য প্রচার পেলেও নির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া মাত্রই কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। তাই যেকোনো ভোগান্তির বিষয়ে যাত্রীদের সরাসরি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে ঢাকার এই বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন শুরু করেন নওশাদ খান। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিমানবন্দরের কর্মীদের জবাবদিহির আওতায় আনা শুরু করেন। লাগেজ হ্যান্ডলিং ও রিলিজ প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত কর্মীদের বডি ক্যামেরার আওতায় আনা এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা অনিয়ম দমনে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। এতে বিমানবন্দরের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়বে বলে আশা তৈরি হয়েছিল।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা নিয়ে আবারও নতুন করে নানা অভিযোগ সামনে আসছে। লাগেজ পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা, ট্রলির সংকট এবং অন্যান্য সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হয়ে যাত্রীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি সরবরাহ সংক্রান্ত উত্তেজনার ঘটনা বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নওশাদ খানের পুরোনো অভিযানের ভিডিও শেয়ার করে তাকে আবারও সক্রিয় দেখতে চেয়ে মন্তব্য করছেন। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, যাত্রীদের অভিযোগে দ্রুত ছুটে যাওয়া সেই কর্মকর্তা এখন কোথায়।