ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রেকর্ড গড়ার পথে ইসরাইলের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি

  • আপডেট সময় : ১০:১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 4
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরাইলের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নতুন রেকর্ড গড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশটির নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৪৪.৯ শতাংশ। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডিন লিভনে জানিয়েছেন, ১৯৭৩ সালের যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে দেশটিতে কখনোই এমন বিপুল ভোটার উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়নি। তুলনামূলকভাবে, ২০২২ সালের একই সময় পর্যন্ত ভোটের হার ছিল ৩৮.৯ শতাংশ।

নির্বাচনী বিশ্লেষক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাবেক সহকারী মিচেল বারাক পশ্চিম জেরুজালেম থেকে গণমাধ্যমকে জানান, ভোটারদের এই উচ্চ হার অত্যন্ত ইতিবাচক। তার মতে, এবার ১৯৭৩ সালের ঐতিহাসিক ভোটদানের হারকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ ভোটার জাতীয় নিরাপত্তা এবং দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে বেশি চিন্তিত। বিশেষ করে বিরোধী দলের বাইরে ওফের উইন্টার-এর নেতৃত্বাধীন ‘আমচা ইসরাইল’ এবং ‘হামিলুইমনিকিম’ বা রিজার্ভিস্ট পার্টির মতো নতুন দলগুলো এবার ‘কিংমেকার’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই বছর ইসরাইল এক বড় ধরনের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল।

এই বিশাল জনসমাগম পার্লামেন্টে (নেসেট) ছোট দলগুলোর আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী পার্লামেন্টে প্রবেশের জন্য ৩.২৫ শতাংশ ভোট পাওয়ার শর্তটি পূরণ করতে এখন অনেক বেশি সংখ্যক একক ভোটের প্রয়োজন হবে। ভোটারদের আগ্রহের এই জোয়ার শুধু সাধারণ মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।

সামরিক সদস্যদের মধ্যেও উৎসাহ ব্যাপক। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১টা পর্যন্ত সেনাসদস্যদের মধ্যে ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ শতাংশে, যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ৪৪.৪ শতাংশ। রিজার্ভ ও নিয়মিত সেনাদের সুবিধার্থে এক সপ্তাহ আগে থেকেই দেশ ও বিদেশের ৮৫০টি ভোটকেন্দ্রে আগাম ভোটগ্রহণ শুরু করা হয়েছিল। এই বিপুল উপস্থিতি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ফলাফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সেনা সদস্যদের সুবিধার্থে এক সপ্তাহ আগেই দেশটির ভেতরের ও বাইরের বিভিন্ন ঘাঁটিতে ৮৫০টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করে ভোটগ্রহণ শুরু করা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

রেকর্ড গড়ার পথে ইসরাইলের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি

আপডেট সময় : ১০:১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ইসরাইলের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নতুন রেকর্ড গড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশটির নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৪৪.৯ শতাংশ। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডিন লিভনে জানিয়েছেন, ১৯৭৩ সালের যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে দেশটিতে কখনোই এমন বিপুল ভোটার উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়নি। তুলনামূলকভাবে, ২০২২ সালের একই সময় পর্যন্ত ভোটের হার ছিল ৩৮.৯ শতাংশ।

নির্বাচনী বিশ্লেষক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাবেক সহকারী মিচেল বারাক পশ্চিম জেরুজালেম থেকে গণমাধ্যমকে জানান, ভোটারদের এই উচ্চ হার অত্যন্ত ইতিবাচক। তার মতে, এবার ১৯৭৩ সালের ঐতিহাসিক ভোটদানের হারকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ ভোটার জাতীয় নিরাপত্তা এবং দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে বেশি চিন্তিত। বিশেষ করে বিরোধী দলের বাইরে ওফের উইন্টার-এর নেতৃত্বাধীন ‘আমচা ইসরাইল’ এবং ‘হামিলুইমনিকিম’ বা রিজার্ভিস্ট পার্টির মতো নতুন দলগুলো এবার ‘কিংমেকার’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই বছর ইসরাইল এক বড় ধরনের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল।

এই বিশাল জনসমাগম পার্লামেন্টে (নেসেট) ছোট দলগুলোর আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী পার্লামেন্টে প্রবেশের জন্য ৩.২৫ শতাংশ ভোট পাওয়ার শর্তটি পূরণ করতে এখন অনেক বেশি সংখ্যক একক ভোটের প্রয়োজন হবে। ভোটারদের আগ্রহের এই জোয়ার শুধু সাধারণ মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।

সামরিক সদস্যদের মধ্যেও উৎসাহ ব্যাপক। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১টা পর্যন্ত সেনাসদস্যদের মধ্যে ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ শতাংশে, যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ৪৪.৪ শতাংশ। রিজার্ভ ও নিয়মিত সেনাদের সুবিধার্থে এক সপ্তাহ আগে থেকেই দেশ ও বিদেশের ৮৫০টি ভোটকেন্দ্রে আগাম ভোটগ্রহণ শুরু করা হয়েছিল। এই বিপুল উপস্থিতি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ফলাফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সেনা সদস্যদের সুবিধার্থে এক সপ্তাহ আগেই দেশটির ভেতরের ও বাইরের বিভিন্ন ঘাঁটিতে ৮৫০টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করে ভোটগ্রহণ শুরু করা হয়েছিল।