ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

মাগুরায় যুবদল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, জড়িতদের গ্রেপ্তারে অবরোধ

  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 5

মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারে যুবদল নেতা শাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার সকালে এ ঘটনার পর ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী ও দলীয় কর্মীরা।

বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বুধবার ভোরে নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন জেলা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাকের হোসেন (৩৮)। তিনি ওই টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারে মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর ৫টার দিকে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তির মধ্যে একজন কাউন্টারে ঢুকে শাকেরকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। ঘটনার পর পরই হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে একটি বাস কাউন্টারের ভেতরে ঢুকে শাকের হোসেন (৩৮) নামে এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোরে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারে এ ঘটনা ঘটে। তাঁদের একজন মোটরসাইকেল নিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে কাউন্টারের ভেতরেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শাকের।

প্রথমে প্রত্যক্ষদর্শীরা শাকেরকে অসুস্থ মনে করে দ্রুত মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শাকেরের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মাথার পেছনের অংশে গুলির ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গেছে। বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁর মাথার পেছনে ছিদ্র পাওয়া যাওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

নিহত শাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালি গ্রামের কুতুবউদ্দিনের ছেলে। এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসী ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন। তিনি জানান, পুলিশের বিশেষ দল অপরাধী শনাক্তকরণে তদন্ত কাজ শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর পেছনে কারা জড়িত তা নিশ্চিত করতে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দ্রুতই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলে আশা করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাগুরায় যুবদল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, জড়িতদের গ্রেপ্তারে অবরোধ

আপডেট সময় : ১১:২৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বুধবার ভোরে নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন জেলা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাকের হোসেন (৩৮)। তিনি ওই টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারে মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর ৫টার দিকে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তির মধ্যে একজন কাউন্টারে ঢুকে শাকেরকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। ঘটনার পর পরই হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে একটি বাস কাউন্টারের ভেতরে ঢুকে শাকের হোসেন (৩৮) নামে এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোরে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারে এ ঘটনা ঘটে। তাঁদের একজন মোটরসাইকেল নিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে কাউন্টারের ভেতরেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শাকের।

প্রথমে প্রত্যক্ষদর্শীরা শাকেরকে অসুস্থ মনে করে দ্রুত মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শাকেরের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মাথার পেছনের অংশে গুলির ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গেছে। বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁর মাথার পেছনে ছিদ্র পাওয়া যাওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

নিহত শাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালি গ্রামের কুতুবউদ্দিনের ছেলে। এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসী ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন। তিনি জানান, পুলিশের বিশেষ দল অপরাধী শনাক্তকরণে তদন্ত কাজ শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর পেছনে কারা জড়িত তা নিশ্চিত করতে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দ্রুতই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলে আশা করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।