তাহসিফ সাউরি মামলা: জেরিকা দিশার চার দিনের রিমান্ড
- আপডেট সময় : ০৭:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
- / 3
সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরিকে নিয়ে করা মামলায় জেরিকা তাসনিম দিশার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালতে এই শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে পুলিশ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন আদালতে এ আবেদন করেন। রোববার (১ নভেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং উত্তরা এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় গত ২৭ অক্টোবর রাতে তাহসিফের সঙ্গে দিশাকে উত্তরা এলাকার নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে দেখা গেছে। এছাড়াও ওই দিন সন্ধ্যায় একাধিকবার সিপি ফাইভ স্টার স্ন্যাকস এবং একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে তাদের একসাথে দেখা গেছে। পুলিশের দাবি, তাহসিফের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে মোটরসাইকেলে ঘোরাঘুরি করেছিলেন দিশা। মুঠোফোনের কললিস্ট পর্যালোচনা করেও তাদের মধ্যে একাধিকবার কথোপকথনের তথ্য মিলেছে।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, এই মামলার আগে গ্রেপ্তার হওয়া বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে দিশার বক্তব্য মিলিয়ে দেখা জরুরি। এছাড়া ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, হত্যাকাণ্ডের স্থান নিশ্চিতকরণ, মামলার আলামত উদ্ধার এবং অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিদের শনাক্ত করতে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। দিশা জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে প্রভাব ফেলতে পারেন বা আত্মগোপনে চলে যেতে পারেন বলেও আদালতে আশঙ্কা প্রকাশ করে পুলিশ। রোববার রাত ২টার দিকে রাজধানীর কাফরুলের বাসা থেকে ১৯ বছর বয়সী দিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া দিশা ও দীপের বক্তব্যের মধ্যে মিল-অমিল যাচাই এবং দিশার দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা পরীক্ষা করার কথাও বলা হয়েছে।
গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তাহসিফ সাউরি। পরদিন ২৮ অক্টোবর টঙ্গীর কাছে তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম উত্তরখান থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে ৩১ অক্টোবর চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সাথে দিশার সংশ্লিষ্টতার জোরালো প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।




















