ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে স্বৈরাচারী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনায় ২৫ মাসে ২২৫ মৃত্যুর ঘটনা: অপরাধের স্বর্গরাজ্যে আতঙ্কিত জনজীবন শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের বড় অংশীদারত্ব খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্যে বিএনপি নেতার ছেলেকে মৃত্যুর ঘটনায় বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ভারসাম্যহীন নারীর মৃত্যু আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা, আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমনি ইয়েমেনে সংঘাত বন্ধে ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চায় হুথিরা গ্যাস-বিদ্যুতের দাম ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে বাড্ডায় জামায়াতের বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে স্বৈরাচারী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা নগরীর প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলো মোড়ের মঞ্চে আয়োজিত এক অনির্ধারিত পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দেশের শিল্পকারখানাগুলো অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এই কারখানাগুলোকে অচল করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। যারা অতীতে গণতন্ত্র ধূলিসাৎ করেছিল, তারা এখন দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চাইছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, যেকোনো অপতৎপরতা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে এবং মানুষের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা ও বাগেরহাটে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বৃহস্পতিবার তার খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে রূপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলায় এক পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখান থেকে রূপসা সেতু অতিক্রম করে তিনি খুলনা শহরে প্রবেশ করেন। পথে কুদির বটতলা থেকে খানজাহান আলী সেতু পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্ল্যাকার্ড হাতে তাকে স্বাগত জানান। এসব প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষ কাজ করেন। আমি আজ খুলনায় এসেছি নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করতে।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, এক যুগ ধরে জোর করে ক্ষমতা দখল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণকারী স্বৈরাচারী শক্তিকে জনগণ বিতাড়িত করেছিল। লুটপাটের রাজনীতিতে অভ্যস্ত সেই গোষ্ঠীটি এখন আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ২০২৪ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশবাসীর অর্জিত সাফল্যকে যারা ধুলোয় মেশাতে চায়, সেই শক্তি আবারো ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গণতন্ত্র রক্ষা ও দেশ গড়ার এই যাত্রাকে কোনোভাবেই কোনো ষড়যন্ত্রের কাছে নতি স্বীকার করতে দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান।

তিনি আরও বলেন, তার এবারের খুলনা সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ‘নতুন কুঁড়ি’র উদ্বোধন। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে বিকশিত করে বাংলাদেশকে প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। রূপসার পথসভা শেষে বেলা ২টা ৩৪ মিনিটে তিনি খুলনা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি সিজন-২ উদ্বোধনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে আহ্বান জানান, আজকের দিনে সবার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নির্মাণ করা। এ সময় তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে স্বৈরাচারী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৯:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা নগরীর প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলো মোড়ের মঞ্চে আয়োজিত এক অনির্ধারিত পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দেশের শিল্পকারখানাগুলো অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এই কারখানাগুলোকে অচল করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। যারা অতীতে গণতন্ত্র ধূলিসাৎ করেছিল, তারা এখন দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চাইছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, যেকোনো অপতৎপরতা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে এবং মানুষের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা ও বাগেরহাটে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বৃহস্পতিবার তার খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে রূপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলায় এক পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখান থেকে রূপসা সেতু অতিক্রম করে তিনি খুলনা শহরে প্রবেশ করেন। পথে কুদির বটতলা থেকে খানজাহান আলী সেতু পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্ল্যাকার্ড হাতে তাকে স্বাগত জানান। এসব প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষ কাজ করেন। আমি আজ খুলনায় এসেছি নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করতে।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, এক যুগ ধরে জোর করে ক্ষমতা দখল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণকারী স্বৈরাচারী শক্তিকে জনগণ বিতাড়িত করেছিল। লুটপাটের রাজনীতিতে অভ্যস্ত সেই গোষ্ঠীটি এখন আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ২০২৪ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশবাসীর অর্জিত সাফল্যকে যারা ধুলোয় মেশাতে চায়, সেই শক্তি আবারো ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গণতন্ত্র রক্ষা ও দেশ গড়ার এই যাত্রাকে কোনোভাবেই কোনো ষড়যন্ত্রের কাছে নতি স্বীকার করতে দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান।

তিনি আরও বলেন, তার এবারের খুলনা সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ‘নতুন কুঁড়ি’র উদ্বোধন। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে বিকশিত করে বাংলাদেশকে প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। রূপসার পথসভা শেষে বেলা ২টা ৩৪ মিনিটে তিনি খুলনা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি সিজন-২ উদ্বোধনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে আহ্বান জানান, আজকের দিনে সবার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নির্মাণ করা। এ সময় তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে চাই।