প্রতিরক্ষা খাতে বড় বিনিয়োগের পথে সার্বিয়ার শিক্ষার্থী জোট
- আপডেট সময় : ০৭:১০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / 0
নির্বাচনে জয়ের পর সার্বিয়ার নতুন সরকার গঠনের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থী সমর্থিত জোট দেশটির সামরিক খাতের ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দীর্ঘমেয়াদি এই পরিকল্পনার আওতায় প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বর্তমানের ২ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই রূপরেখা বাস্তবায়নে দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের আর্থিক সক্ষমতা ও জনবলের লভ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জোটের প্রতিনিধি ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা লুকা পোনোরাচ।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পোনোরাচ জানান, প্রতিরক্ষা খাতের বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে এই প্রস্তাবনাগুলো তৈরি করা হয়েছে। প্রথম ধাপে প্রতিরক্ষা বাজেট ৩ শতাংশে উন্নীত করা হবে এবং পরবর্তীতে তা ধাপে ধাপে ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে। সামরিক বাহিনীর অর্থের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করা, সম্পদের সুষম বণ্টন এবং সব ইউনিটের মধ্যে সক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখাই এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।
নতুন এই পরিকল্পনায় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বেতন ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বর্তমান বেতন কাঠামোতে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন পোনোরাচ। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাহিনীর ভেতরে বেতন নিয়ে অসামঞ্জস্য রয়েছে। বিশেষ বাহিনীর কোনো কোনো সদস্য জেনারেলদের চেয়েও বেশি বেতন পাচ্ছেন, আবার মিলিটারি একাডেমির জ্যেষ্ঠ প্রশিক্ষকদের বেতন মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত অনেক কর্মকর্তার তুলনায় কম। পাশাপাশি বিভিন্ন পদমর্যাদা ও দায়িত্বের ভিত্তিতে বেতন বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ছাড়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সুস্পষ্ট ও পূর্বানুমানযোগ্য পদোন্নতি এবং পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
সেনা সদস্যদের পেশাগত উন্নয়ন ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের ওপরও বিশেষ জোর দিচ্ছে নতুন এই জোট। বাহিনীর প্রতিটি স্তরে যাতে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়, সেজন্য একটি কাঠামোগত পরিবর্তনের দিকে হাঁটছে তারা। পোনোরাচের মতে, বর্তমান অসংগতিগুলো দূর করতে পারলে সামগ্রিকভাবে সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্ষমতা ও পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে।
























