ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

নড়াইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেনে’র ১৪তম মৃত্যুবাষির্কী আজ

  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০
  • / 271
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ

আজ ১৪ ডিসেম্বর নড়াইলের কালিয়া থানার অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী।

২০০৬ সালের বিজয়ের মাস এবং ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের এই দিনে ব্রেন স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মিষ্টভাষী, পরোপকারী, অসাম্প্রদায়িক, নির্লোভী ও একবারেই সাদামনের মানুষ ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের বীর সেনানী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়। নীতিতে ছিলেন অটল, যিনি মানুষকে ভালবাসতেন, সম্মান দিতেন, বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়াতেন এক কথায় যাকে বলে মানবদরদী। তাঁর জীবন ছিল কর্মময়, ধ্যান-ধারণা ছিল অত্যন্ত সুন্দর, ব্যক্তিগত চরিত্রে ছিল স্বচ্ছতা ও সততার সৌরভে উদ্ভাসিত। পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় এলাকাবাসী তাঁকে মিয়াভাই বলে সম্বোধন করতেন।

১৯৪৮ সালের ৮ জুন বৃহত্তম যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার (বর্তমানে জেলা) কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

সমাজের যে কোন অন্যায়- অত্যাচারের বিরুদ্ধে তার অবস্থান ছিল কঠোর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে স্থানীয়ভাবে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করতেন। তিনি সবসময় স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিতে অটল ছিলেন। বীর বাঙ্গালী অস্ত্র ধরো/বাংলাদেশ স্বাধীন করো শ্লোগানে উদ্বুদ্ধ ছিলেন তিনি।

নড়াইলর বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। রণাঙ্গনের সফল এই যোদ্ধা একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে ২৫ বছরের কর্মজীবন শেষ করে ২০০২ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

তাঁর জন্ম স্থান কালিয়ার চাঁচুড়ী গ্রামে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় তাঁকে। আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক-বৈষম্য-অসাম্য-নির্যাতনের বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে সোচ্চার থাকা এবং জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী এই মহান মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিনে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলী। মৃত্যুর সময় তিনি স্ত্রী ,তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। তার বড় ও ছোট ছেলে মোহাম্মদ মুনির হোসেন ও লোকমান হোসেন ফ্রান্সের প্যারিসে স্বপরিবারে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। মেঝছেলে মোহাম্মদ জোনায়েদ হোসেন বাংলাদেশ কৃষিব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তা ।

তাঁর বড় ছেলে ফ্রান্স প্রবাসী এবং বিডিসংবাদ ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টালের নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ মুনির হোসেন সকলের কাছে তাঁর প্রান প্রিয় পিতা মরহুম মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এর বিদেহী আত্বার মাগফিরাতের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

নড়াইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেনে’র ১৪তম মৃত্যুবাষির্কী আজ

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ

আজ ১৪ ডিসেম্বর নড়াইলের কালিয়া থানার অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী।

২০০৬ সালের বিজয়ের মাস এবং ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের এই দিনে ব্রেন স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মিষ্টভাষী, পরোপকারী, অসাম্প্রদায়িক, নির্লোভী ও একবারেই সাদামনের মানুষ ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের বীর সেনানী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়। নীতিতে ছিলেন অটল, যিনি মানুষকে ভালবাসতেন, সম্মান দিতেন, বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়াতেন এক কথায় যাকে বলে মানবদরদী। তাঁর জীবন ছিল কর্মময়, ধ্যান-ধারণা ছিল অত্যন্ত সুন্দর, ব্যক্তিগত চরিত্রে ছিল স্বচ্ছতা ও সততার সৌরভে উদ্ভাসিত। পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় এলাকাবাসী তাঁকে মিয়াভাই বলে সম্বোধন করতেন।

১৯৪৮ সালের ৮ জুন বৃহত্তম যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার (বর্তমানে জেলা) কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

সমাজের যে কোন অন্যায়- অত্যাচারের বিরুদ্ধে তার অবস্থান ছিল কঠোর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে স্থানীয়ভাবে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করতেন। তিনি সবসময় স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিতে অটল ছিলেন। বীর বাঙ্গালী অস্ত্র ধরো/বাংলাদেশ স্বাধীন করো শ্লোগানে উদ্বুদ্ধ ছিলেন তিনি।

নড়াইলর বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। রণাঙ্গনের সফল এই যোদ্ধা একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে ২৫ বছরের কর্মজীবন শেষ করে ২০০২ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

তাঁর জন্ম স্থান কালিয়ার চাঁচুড়ী গ্রামে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় তাঁকে। আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক-বৈষম্য-অসাম্য-নির্যাতনের বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে সোচ্চার থাকা এবং জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী এই মহান মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিনে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলী। মৃত্যুর সময় তিনি স্ত্রী ,তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। তার বড় ও ছোট ছেলে মোহাম্মদ মুনির হোসেন ও লোকমান হোসেন ফ্রান্সের প্যারিসে স্বপরিবারে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। মেঝছেলে মোহাম্মদ জোনায়েদ হোসেন বাংলাদেশ কৃষিব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তা ।

তাঁর বড় ছেলে ফ্রান্স প্রবাসী এবং বিডিসংবাদ ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টালের নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ মুনির হোসেন সকলের কাছে তাঁর প্রান প্রিয় পিতা মরহুম মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এর বিদেহী আত্বার মাগফিরাতের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস