ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, অক্টোবরেই ফিরছে স্বাভাবিক ফ্লাইট লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রহস্যজনক অন্তর্ধানের ঘটনায় তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে সমর্থকদের নিয়ে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া ও চীনের উত্থান: গত ২৫ বছরে আমূল বদলে যাওয়া বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন: বিশ্বনেতাদের বরণে প্রস্তুত দিল্লি, মোদির সঙ্গে পুতিন-পেজেশকিয়ানের বৈঠক আজ একতরফা আধিপত্য রুখতে ব্রিকসের ওপর জোর দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এআই কি মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি? বড় সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মক্কা চুক্তির পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের ব্যাপক বিমান হামলার অভিযোগ শনিবার ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন, পুতিনসহ যোগ দিচ্ছেন বিশ্বনেতারা মানুষের বর্জ্য থেকে তৈরি কংক্রিট: প্রচলিত সিমেন্টের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ও টেকসই

নড়াইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেনে’র ১৪তম মৃত্যুবাষির্কী আজ

  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০
  • / 276
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ

আজ ১৪ ডিসেম্বর নড়াইলের কালিয়া থানার অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী।

২০০৬ সালের বিজয়ের মাস এবং ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের এই দিনে ব্রেন স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মিষ্টভাষী, পরোপকারী, অসাম্প্রদায়িক, নির্লোভী ও একবারেই সাদামনের মানুষ ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের বীর সেনানী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়। নীতিতে ছিলেন অটল, যিনি মানুষকে ভালবাসতেন, সম্মান দিতেন, বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়াতেন এক কথায় যাকে বলে মানবদরদী। তাঁর জীবন ছিল কর্মময়, ধ্যান-ধারণা ছিল অত্যন্ত সুন্দর, ব্যক্তিগত চরিত্রে ছিল স্বচ্ছতা ও সততার সৌরভে উদ্ভাসিত। পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় এলাকাবাসী তাঁকে মিয়াভাই বলে সম্বোধন করতেন।

১৯৪৮ সালের ৮ জুন বৃহত্তম যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার (বর্তমানে জেলা) কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

সমাজের যে কোন অন্যায়- অত্যাচারের বিরুদ্ধে তার অবস্থান ছিল কঠোর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে স্থানীয়ভাবে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করতেন। তিনি সবসময় স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিতে অটল ছিলেন। বীর বাঙ্গালী অস্ত্র ধরো/বাংলাদেশ স্বাধীন করো শ্লোগানে উদ্বুদ্ধ ছিলেন তিনি।

নড়াইলর বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। রণাঙ্গনের সফল এই যোদ্ধা একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে ২৫ বছরের কর্মজীবন শেষ করে ২০০২ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

তাঁর জন্ম স্থান কালিয়ার চাঁচুড়ী গ্রামে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় তাঁকে। আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক-বৈষম্য-অসাম্য-নির্যাতনের বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে সোচ্চার থাকা এবং জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী এই মহান মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিনে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলী। মৃত্যুর সময় তিনি স্ত্রী ,তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। তার বড় ও ছোট ছেলে মোহাম্মদ মুনির হোসেন ও লোকমান হোসেন ফ্রান্সের প্যারিসে স্বপরিবারে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। মেঝছেলে মোহাম্মদ জোনায়েদ হোসেন বাংলাদেশ কৃষিব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তা ।

তাঁর বড় ছেলে ফ্রান্স প্রবাসী এবং বিডিসংবাদ ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টালের নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ মুনির হোসেন সকলের কাছে তাঁর প্রান প্রিয় পিতা মরহুম মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এর বিদেহী আত্বার মাগফিরাতের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

নড়াইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেনে’র ১৪তম মৃত্যুবাষির্কী আজ

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ

আজ ১৪ ডিসেম্বর নড়াইলের কালিয়া থানার অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী।

২০০৬ সালের বিজয়ের মাস এবং ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের এই দিনে ব্রেন স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মিষ্টভাষী, পরোপকারী, অসাম্প্রদায়িক, নির্লোভী ও একবারেই সাদামনের মানুষ ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের বীর সেনানী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়। নীতিতে ছিলেন অটল, যিনি মানুষকে ভালবাসতেন, সম্মান দিতেন, বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়াতেন এক কথায় যাকে বলে মানবদরদী। তাঁর জীবন ছিল কর্মময়, ধ্যান-ধারণা ছিল অত্যন্ত সুন্দর, ব্যক্তিগত চরিত্রে ছিল স্বচ্ছতা ও সততার সৌরভে উদ্ভাসিত। পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় এলাকাবাসী তাঁকে মিয়াভাই বলে সম্বোধন করতেন।

১৯৪৮ সালের ৮ জুন বৃহত্তম যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার (বর্তমানে জেলা) কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

সমাজের যে কোন অন্যায়- অত্যাচারের বিরুদ্ধে তার অবস্থান ছিল কঠোর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে স্থানীয়ভাবে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করতেন। তিনি সবসময় স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিতে অটল ছিলেন। বীর বাঙ্গালী অস্ত্র ধরো/বাংলাদেশ স্বাধীন করো শ্লোগানে উদ্বুদ্ধ ছিলেন তিনি।

নড়াইলর বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। রণাঙ্গনের সফল এই যোদ্ধা একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে ২৫ বছরের কর্মজীবন শেষ করে ২০০২ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

তাঁর জন্ম স্থান কালিয়ার চাঁচুড়ী গ্রামে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় তাঁকে। আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক-বৈষম্য-অসাম্য-নির্যাতনের বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে সোচ্চার থাকা এবং জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী এই মহান মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিনে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলী। মৃত্যুর সময় তিনি স্ত্রী ,তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। তার বড় ও ছোট ছেলে মোহাম্মদ মুনির হোসেন ও লোকমান হোসেন ফ্রান্সের প্যারিসে স্বপরিবারে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। মেঝছেলে মোহাম্মদ জোনায়েদ হোসেন বাংলাদেশ কৃষিব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তা ।

তাঁর বড় ছেলে ফ্রান্স প্রবাসী এবং বিডিসংবাদ ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টালের নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ মুনির হোসেন সকলের কাছে তাঁর প্রান প্রিয় পিতা মরহুম মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এর বিদেহী আত্বার মাগফিরাতের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস