লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রহস্যজনক অন্তর্ধানের ঘটনায় তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- আপডেট সময় : ০৪:১৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 0
রাজধানীর লালবাগে একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার বারান্দার মাটি খুঁড়ে শেখ ওয়াসিম রনি (৪৩) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৯ নম্বর বিসি দাস স্ট্রিটের ওই ভবনে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানোর পর শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাটির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রাথমিক তদন্ত ও পুলিশের ভাষ্যমতে, তিন লাখ টাকা সুদে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) তালেবুর রহমান জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর রনি নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্বজনরা থানায় অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে অভিযুক্তের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নিচতলার পাশের মাটির নিচ থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাসুম চৌধুরী নামে একজনকে আটক করা হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আটক মাসুম চৌধুরীর দুলাভাই জানান, তার শ্যালক ইমিটেশন জুয়েলারির ব্যবসা করতেন। যে ভবনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেই ভবনের নিচতলায় মাসুমের একটি পাইকারি কারখানা ছিল। তিনি দাবি করেন, প্রায় আট মাস আগে ওয়াসিম রনির কাছ থেকে মাসুম তিন লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, ওই টাকার বিপরীতে প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা করে সুদ দেওয়ার কথা ছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে পাওনা টাকা চাইতে ওয়াসিম রনি মাসুমের ব্যবসায়িক কক্ষে যান। মাসুমের দুলাভাই আরও জানান, পুলিশের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন যে, ওয়াসিম অচেতন হয়ে পড়ে যাওয়ার পর তাকে ভবনের পাশের মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়। পুরো বিষয়টি এখন পুলিশের তদন্তাধীন রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হলে মাসুম ওয়াসিমের মাথায় ঘুসি মারেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই স্থানেই মাটি দিয়ে লাশটি চাপা দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিহতের স্ত্রীর ভাই মুরাদ হোসেন জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ওয়াসিমের যোগাযোগ হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুরাদ হোসেন বলেন, ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরের পর থেকেই ওয়াসিমের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
























