ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রান্নার অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে সিসার ঝুঁকি: মিলছে না সমাধান সেবায় রূপান্তরই মূল লক্ষ্য, জানালেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় ফ্লাই দুবাইয়ের দুই রুটে ফ্লাইট স্থগিত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে বায়োফার্মার এমডির সৌজন্য সাক্ষাৎ ওয়েলিংটনে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের জয় ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিসেম্বরে কেউ আসতে চাইলে প্রস্তুত, হুশিয়ারি দিলেন নাহিদ ইসলাম আপা আসার সুযোগ নেই, এলেও ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত: নাহিদ ইসলাম গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা থামাতে চাইছে বিদেশের অপশক্তি: রুহুল কবির রিজভী মুম্বাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট সূচি থেকে বাদ পশ্চিম এশিয়ার ১২ এয়ারলাইনস

হর্টিকালচার সেন্টারে চারা-কলমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের নতুন মূল্য নির্ধারণ

  • আপডেট সময় : ০১:০৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / 30
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের হর্টিকালচার সেন্টার ও মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের চারা-কলম, ফল, ফুল, শাক-সবজি, মসলা, বীজ, মাশরুম এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যের নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।

নতুন এ মূল্যতালিকা চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।

সম্প্রতি ডিএইর হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক ড. মো. হজরত আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মহাপরিচালক ও হর্টিকালচার সেন্টারসমূহের কর্মকর্তাদের ভার্চুয়াল সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

নতুন মূল্যতালিকায় দেশের সব হর্টিকালচার সেন্টার ও মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের ফলদ, ঔষধি ও মসলাজাতীয় চারা-কলম, শাক-সবজি, ফল, বীজ, মাশরুম ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির জন্য বেশ কিছু চারা-কলমের পৃথক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন তালিকায় দেখা গেছে, অধিকাংশ ফল, শাক-সবজি, মসলা ও বীজের বিক্রয়মূল্য আগের অর্থবছরের মতোই বহাল রাখা হয়েছে। তবে কয়েকটি চারা-কলমের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে তেঁতুল, শরিফা, কদবেল, নিম, আমলকী, তাল ও কাঠবাদামের চারার দাম বেড়েছে। বিদেশি লম্বা জাতের নারিকেল চারা নতুনভাবে মূল্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অ্যাভোকাডো কলমের মূল্য ৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে টিস্যু কালচার কলা চারা ও কফি চারার মূল্য কিছুটা কমানো হয়েছে।

ডিএই জানিয়েছে, দেশের সব হর্টিকালচার সেন্টারে উৎপাদিত আম, লিচু, কাঁঠাল, পেয়ারা, সফেদা, মাল্টা, কমলা, ডালিম, পেঁপে, কলা, নারিকেল, ডাব, জলপাই, কুল, তেঁতুল, ড্রাগন ফল, স্ট্রবেরি, সাতকরা, বিভিন্ন শাক-সবজি ও মসলার বিক্রয়মূল্য আগের অর্থবছরের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এছাড়া শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন সবজির চারা এবং বিভিন্ন সবজির বীজের মূল্যও অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত রয়েছে।

তবে হাইব্রিড সবজির কিছু চারার ক্ষেত্রে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, ফল, ঔষধি ও মসলাজাতীয় চারা নির্ধারিত আকারের পলি, পচনশীল ব্যাগ বা উপযুক্ত পাত্রে উৎপাদন করতে হবে।

ফলের কলমও নির্ধারিত মান বজায় রেখে উৎপাদন ও বিতরণ করতে হবে।

সবজি চারার সঙ্গে ভার্মিকম্পোস্ট, রেডিমিক্স মাটি বা সমজাতীয় উপকরণের মূল্য সংযোজনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, অনুমোদিত মূল্যতালিকা ও নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের সব হর্টিকালচার সেন্টার, মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক, উদ্যানতত্ত্ববিদ ও নার্সারি তত্ত্বাবধায়কদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হর্টিকালচার সেন্টারে চারা-কলমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের নতুন মূল্য নির্ধারণ

আপডেট সময় : ০১:০৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের হর্টিকালচার সেন্টার ও মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের চারা-কলম, ফল, ফুল, শাক-সবজি, মসলা, বীজ, মাশরুম এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যের নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।

নতুন এ মূল্যতালিকা চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।

সম্প্রতি ডিএইর হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক ড. মো. হজরত আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মহাপরিচালক ও হর্টিকালচার সেন্টারসমূহের কর্মকর্তাদের ভার্চুয়াল সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

নতুন মূল্যতালিকায় দেশের সব হর্টিকালচার সেন্টার ও মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের ফলদ, ঔষধি ও মসলাজাতীয় চারা-কলম, শাক-সবজি, ফল, বীজ, মাশরুম ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির জন্য বেশ কিছু চারা-কলমের পৃথক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন তালিকায় দেখা গেছে, অধিকাংশ ফল, শাক-সবজি, মসলা ও বীজের বিক্রয়মূল্য আগের অর্থবছরের মতোই বহাল রাখা হয়েছে। তবে কয়েকটি চারা-কলমের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে তেঁতুল, শরিফা, কদবেল, নিম, আমলকী, তাল ও কাঠবাদামের চারার দাম বেড়েছে। বিদেশি লম্বা জাতের নারিকেল চারা নতুনভাবে মূল্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অ্যাভোকাডো কলমের মূল্য ৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে টিস্যু কালচার কলা চারা ও কফি চারার মূল্য কিছুটা কমানো হয়েছে।

ডিএই জানিয়েছে, দেশের সব হর্টিকালচার সেন্টারে উৎপাদিত আম, লিচু, কাঁঠাল, পেয়ারা, সফেদা, মাল্টা, কমলা, ডালিম, পেঁপে, কলা, নারিকেল, ডাব, জলপাই, কুল, তেঁতুল, ড্রাগন ফল, স্ট্রবেরি, সাতকরা, বিভিন্ন শাক-সবজি ও মসলার বিক্রয়মূল্য আগের অর্থবছরের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এছাড়া শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন সবজির চারা এবং বিভিন্ন সবজির বীজের মূল্যও অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত রয়েছে।

তবে হাইব্রিড সবজির কিছু চারার ক্ষেত্রে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, ফল, ঔষধি ও মসলাজাতীয় চারা নির্ধারিত আকারের পলি, পচনশীল ব্যাগ বা উপযুক্ত পাত্রে উৎপাদন করতে হবে।

ফলের কলমও নির্ধারিত মান বজায় রেখে উৎপাদন ও বিতরণ করতে হবে।

সবজি চারার সঙ্গে ভার্মিকম্পোস্ট, রেডিমিক্স মাটি বা সমজাতীয় উপকরণের মূল্য সংযোজনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, অনুমোদিত মূল্যতালিকা ও নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের সব হর্টিকালচার সেন্টার, মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক, উদ্যানতত্ত্ববিদ ও নার্সারি তত্ত্বাবধায়কদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস