ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের দুই জেলায় বজ্রবৃষ্টিসহ ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তা রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা তিন মাসে দ্বিগুণ হলো এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজ বহর নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি

রাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ শিক্ষকদের অভ্যান্তরীণ কোন্দলঃআটকে আছে পরীক্ষা

  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭
  • / 271
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাবি প্রতিনিধি: শিক্ষকদের অভ্যান্তরীণ কোন্দলে আটকে আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সকল বর্ষের পরীক্ষা। বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী অক্টোবরের মধ্যে পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও তা এখনো অনুষ্টিত হয়নি। এ অবস্থার জন্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দায়ী করছেন মূলত শিক্ষকদের মধ্যে অভ্যান্তরীন দ্বন্দ্বকে। ফলে সেশনজটের কবলে পড়ার আশঙ্কা করেছে ঐ বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তবে এ অবস্থার জন্য দায়ী করছে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভাগরে নিয়ম ক্লাস-টিউটোরিয়াল সাধারণত আগস্ট মাসের মধ্যেই শেষ করা। আর বর্ষ সমাপনী পরীক্ষা অক্টোবর মধ্যে শুরু হয়। কোন শিক্ষকের ব্যক্তিগত সমস্যা থাকলে একাডেমিক মিটিংএর সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কিছুদিন পেছানো হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকতে পারে কিন্তু তার দায়ভার আমরা কেন নিব। শিক্ষদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলতে চায় এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করুন।  অন্যথায় আমরা অন্যপথ দেখতে বাধ্য হবো।

জানতে চাইলে বিভাগের অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন বলেন, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বিভাগরে সমস্যাগুলোর সমাধান করা। কিন্তু তিনি সেখানে ব্যার্থ। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমরা চেয়ারম্যানকে বারবার মিটিং দিতে বলেছি। কিন্তু এ বিষয়ে তিনি কোন সাড়া দেননি। পরীক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের পরই আমরা পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করবো।

বিভাগের সভাপতি ড. নাসিমা জামান বলেন, নিজেদের মধ্যে ভূল বোঝা বুঝি থাকতেই পারে। তার সমাধানের জন্য আমাদেরই ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন পর্যন্ত শিক্ষকগণ এ ব্যাপারে কোন সহযোগীতা করছেন না। পরীক্ষা সংক্রান্ত কয়েকটি মিটিং ডেকেছি তারা একটিতেও অংশগ্রহণ করেননি। বিষয়টি আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করেছি। আমি আশা করি এই শঙ্কটের অতি দ্রুত সমাধান হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. আক্তার ফারুকী বলেন, তদন্ত কাজ প্রায় শেষের দিকে আশা করছি এই মাসেই রিপোর্ট জমা দিতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ শিক্ষকদের অভ্যান্তরীণ কোন্দলঃআটকে আছে পরীক্ষা

আপডেট সময় : ১২:৫৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭

রাবি প্রতিনিধি: শিক্ষকদের অভ্যান্তরীণ কোন্দলে আটকে আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সকল বর্ষের পরীক্ষা। বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী অক্টোবরের মধ্যে পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও তা এখনো অনুষ্টিত হয়নি। এ অবস্থার জন্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দায়ী করছেন মূলত শিক্ষকদের মধ্যে অভ্যান্তরীন দ্বন্দ্বকে। ফলে সেশনজটের কবলে পড়ার আশঙ্কা করেছে ঐ বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তবে এ অবস্থার জন্য দায়ী করছে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভাগরে নিয়ম ক্লাস-টিউটোরিয়াল সাধারণত আগস্ট মাসের মধ্যেই শেষ করা। আর বর্ষ সমাপনী পরীক্ষা অক্টোবর মধ্যে শুরু হয়। কোন শিক্ষকের ব্যক্তিগত সমস্যা থাকলে একাডেমিক মিটিংএর সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কিছুদিন পেছানো হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকতে পারে কিন্তু তার দায়ভার আমরা কেন নিব। শিক্ষদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলতে চায় এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করুন।  অন্যথায় আমরা অন্যপথ দেখতে বাধ্য হবো।

জানতে চাইলে বিভাগের অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন বলেন, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বিভাগরে সমস্যাগুলোর সমাধান করা। কিন্তু তিনি সেখানে ব্যার্থ। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমরা চেয়ারম্যানকে বারবার মিটিং দিতে বলেছি। কিন্তু এ বিষয়ে তিনি কোন সাড়া দেননি। পরীক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের পরই আমরা পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করবো।

বিভাগের সভাপতি ড. নাসিমা জামান বলেন, নিজেদের মধ্যে ভূল বোঝা বুঝি থাকতেই পারে। তার সমাধানের জন্য আমাদেরই ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন পর্যন্ত শিক্ষকগণ এ ব্যাপারে কোন সহযোগীতা করছেন না। পরীক্ষা সংক্রান্ত কয়েকটি মিটিং ডেকেছি তারা একটিতেও অংশগ্রহণ করেননি। বিষয়টি আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করেছি। আমি আশা করি এই শঙ্কটের অতি দ্রুত সমাধান হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. আক্তার ফারুকী বলেন, তদন্ত কাজ প্রায় শেষের দিকে আশা করছি এই মাসেই রিপোর্ট জমা দিতে পারবো।