ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

ইনজুরি টাইমের গোলে আর্জেন্টিনাকে হারাল ব্রাজিল

  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮
  • / 290
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ  সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ইনজুরি টাইমের গোলে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করেছে ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করার সময়ে (৯০+৩) ব্রাজিলীয় সুপারস্টার নেইমারের কর্নার থেকে হেডে গোল করেছেন মিরান্ডা। ফলে মঙ্গলবারের সুপার ক্ল্যাসিকোতে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছে তিতের দল।

গত বছর মেলবোর্নের সুপার ক্লাসিকোতে একই ব্যবধানে হারের প্রতিশোধ নিলো ব্রাজিল।

মেসিবিহীন আর্জেন্টিনা এই ম্যাচের প্রথমার্ধে  সমান তালে লড়াই করলেও দ্বিতীয়ার্ধে সেই ধারা অব্যাহত রাখতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে ছিল ব্রাজিলীয় দাপট। বিশেষ করে শেষ ২০ মিনিট আর্জেন্টাইন গোল পোস্টে একের পর এক আক্রমণ করেছে ব্রাজিল। ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ডদের গতির সাথে কুলিয়ে উঠতে পারেনি আর্জেন্টাইন ডিফেন্স। ফলে বেশ কয়েকবার পরীক্ষা দিতে হয়েছে গোলরক্ষক রোমেরোকে। অনেকবারই ব্রাজিলীয় ফুটবলারদের গোল বঞ্চিত করেছেন রোমেরো।

গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার নিয়মিত এই গোলরক্ষক খেলতে পারেননি ইনজুরির কারণে। বিশ্বকাপে ্আর্জেন্টিনার বিকল্প গোলরক্ষকদের পারফরম্যান্স ছিলো যাচ্ছে তাই। এদিন রোমেরো বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে যেন সমর্থকদের আরো একবার মনে করিয়ে দিলেন বিশ্বকাপে তার অভাবের কথা।

ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার ছিলেন তার চেনা ছন্দে। পায়ে বল গেলেই দারুণ কারিকুরিতে প্রতিপক্ষের ফুটবলারদের নাচিয়ে ছেড়েছেন নেইমার। বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌছেও ফিনিশিংটা করতে পারেননি। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার জোরালো আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছেন নেইমার। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন কুতিনহো। আর দ্বিতীয়ার্ধে তো নেইমারই ছিলেন ব্রাজিলীয় ছন্দের প্রাণভোমরা। বামপ্রান্ত দিয়ে একের পর এক আক্রমণে তটস্থ রেখেছেন আর্জেন্টাইন রক্ষণভাগকে।

৬৭ মিনিটে গাব্রিয়েল জেসুসের বদলি হয়ে মাঠে নামা রিচার্লিসন দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নেইমারের ক্রস ব্যাকপোস্টে পেয়েও গোলবারের পাশ দিয়ে শট নেন রিচার্লিসন। ৭০ মিনিটে নেইমারের ফ্রি-কিক থেকে  আসা উড়ন্ত বলে জোরালে শট নেন আর্থার।  কিন্তু আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরো দুর্দান্তভাবে লাফিয়ে গোল ঠেকান।

গোলের সুযোগ আর্জেন্টাইনারও তৈরি করেছিলো কিছু। ম্যাচের ৮ মিনিটে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর কাছ থেকে বল পেয়ে প্রথম শট নিয়েছিলেন জিওভানি ল চেলসো। সেটা গোলবারের পাশ দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

প্রথমার্ধে দারুণ লড়াই করা আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সেই ধারা ধরে রেখেছিলো ।  আর্জেন্টিনা তাদের প্রথম পরিবর্তন আনে ৫৮ মিনিটে। দিবালা জায়গা করে দেন লতারো মার্তিনেসকে। কিন্তু তাতে আক্রমণের ধার বারেনি।

৬০ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারাদেসের ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া শট ব্রাজিল গোলরক্ষক আলিসনকে শঙ্কায় ফেলতে পারেনি। পরের মিনিটে ল চেলসোকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন মারকুইনহোস।

ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিলো ব্রাজিল। উভয় দল মিলে ৩৫টি ফাউল করেছ। হলুদ কার্ড দেখেছেন দুই দলের মোট ৭ জন। ফলে প্রীতি ম্যাচ হলেও বল দখলের লড়াইয়ে ছিলো উত্তেজনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইনজুরি টাইমের গোলে আর্জেন্টিনাকে হারাল ব্রাজিল

আপডেট সময় : ১১:৪৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ  সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ইনজুরি টাইমের গোলে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করেছে ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করার সময়ে (৯০+৩) ব্রাজিলীয় সুপারস্টার নেইমারের কর্নার থেকে হেডে গোল করেছেন মিরান্ডা। ফলে মঙ্গলবারের সুপার ক্ল্যাসিকোতে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছে তিতের দল।

গত বছর মেলবোর্নের সুপার ক্লাসিকোতে একই ব্যবধানে হারের প্রতিশোধ নিলো ব্রাজিল।

মেসিবিহীন আর্জেন্টিনা এই ম্যাচের প্রথমার্ধে  সমান তালে লড়াই করলেও দ্বিতীয়ার্ধে সেই ধারা অব্যাহত রাখতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে ছিল ব্রাজিলীয় দাপট। বিশেষ করে শেষ ২০ মিনিট আর্জেন্টাইন গোল পোস্টে একের পর এক আক্রমণ করেছে ব্রাজিল। ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ডদের গতির সাথে কুলিয়ে উঠতে পারেনি আর্জেন্টাইন ডিফেন্স। ফলে বেশ কয়েকবার পরীক্ষা দিতে হয়েছে গোলরক্ষক রোমেরোকে। অনেকবারই ব্রাজিলীয় ফুটবলারদের গোল বঞ্চিত করেছেন রোমেরো।

গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার নিয়মিত এই গোলরক্ষক খেলতে পারেননি ইনজুরির কারণে। বিশ্বকাপে ্আর্জেন্টিনার বিকল্প গোলরক্ষকদের পারফরম্যান্স ছিলো যাচ্ছে তাই। এদিন রোমেরো বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে যেন সমর্থকদের আরো একবার মনে করিয়ে দিলেন বিশ্বকাপে তার অভাবের কথা।

ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার ছিলেন তার চেনা ছন্দে। পায়ে বল গেলেই দারুণ কারিকুরিতে প্রতিপক্ষের ফুটবলারদের নাচিয়ে ছেড়েছেন নেইমার। বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌছেও ফিনিশিংটা করতে পারেননি। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার জোরালো আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছেন নেইমার। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন কুতিনহো। আর দ্বিতীয়ার্ধে তো নেইমারই ছিলেন ব্রাজিলীয় ছন্দের প্রাণভোমরা। বামপ্রান্ত দিয়ে একের পর এক আক্রমণে তটস্থ রেখেছেন আর্জেন্টাইন রক্ষণভাগকে।

৬৭ মিনিটে গাব্রিয়েল জেসুসের বদলি হয়ে মাঠে নামা রিচার্লিসন দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নেইমারের ক্রস ব্যাকপোস্টে পেয়েও গোলবারের পাশ দিয়ে শট নেন রিচার্লিসন। ৭০ মিনিটে নেইমারের ফ্রি-কিক থেকে  আসা উড়ন্ত বলে জোরালে শট নেন আর্থার।  কিন্তু আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরো দুর্দান্তভাবে লাফিয়ে গোল ঠেকান।

গোলের সুযোগ আর্জেন্টাইনারও তৈরি করেছিলো কিছু। ম্যাচের ৮ মিনিটে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর কাছ থেকে বল পেয়ে প্রথম শট নিয়েছিলেন জিওভানি ল চেলসো। সেটা গোলবারের পাশ দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

প্রথমার্ধে দারুণ লড়াই করা আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সেই ধারা ধরে রেখেছিলো ।  আর্জেন্টিনা তাদের প্রথম পরিবর্তন আনে ৫৮ মিনিটে। দিবালা জায়গা করে দেন লতারো মার্তিনেসকে। কিন্তু তাতে আক্রমণের ধার বারেনি।

৬০ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারাদেসের ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া শট ব্রাজিল গোলরক্ষক আলিসনকে শঙ্কায় ফেলতে পারেনি। পরের মিনিটে ল চেলসোকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন মারকুইনহোস।

ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিলো ব্রাজিল। উভয় দল মিলে ৩৫টি ফাউল করেছ। হলুদ কার্ড দেখেছেন দুই দলের মোট ৭ জন। ফলে প্রীতি ম্যাচ হলেও বল দখলের লড়াইয়ে ছিলো উত্তেজনা।