ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লেবাননে বিস্ফোরকবাহী ট্রাক জব্দ, কঠোর অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার কামচাতকায় ৬.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কাউকে দমন করা সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান নিরাপত্তা ঝুঁকিতে শাহ আমানত বিমানবন্দর: রানওয়েতে দফায় দফায় চুরি নুরের বক্তৃতায় মগবাজার-বাংলামোটর তোলপাড়: মন্তব্য রাশেদ খাঁনের প্রকাশ্যে সমালোচনা করে জরিমানা গুনলেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হুতিদের হামলা: নিহত ৫ গাজীপুরে ইয়াবাসহ আটক অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ছিনিয়ে নিতে রেলওয়ে কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ ও বিজ্ঞানীদের সুযোগ বাড়ানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতির বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে আট সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন

সাকিব কি বোঝেন না তাকে দলের প্রয়োজন!

  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২
  • / 142
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

দল পৌঁছে গেছে দু’দিন আগে। ইতোমধ্যে অনুশীলনও শুরু করে দিয়েছে পুরোদমে। মাঝের একটা দিন ঘুরে বেড়িয়েছে, আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে। যদিও সদ্য শেষ হওয়া শীতের রেশ রয়ে গেছে, তবুও যে মনে সুখ নেই আফিফ-মিরাজদের, তা কি বলার অপেক্ষা রাখে? একটি মাত্র টেস্ট জয় ছাড়া বলার মতো আর কিইবা আছে!

বিপদে বরাবরই পাশে পাওয়া দেশটায় এবারো বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। সাথে পাকিস্তানকে নিয়ে স্বাগতিকরা একটা ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বিশ্বকাপের আগে। সেই সিরিজকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ দলের পর পাকিস্তানও গতকাল পৌঁছে গেছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষে সফরকারীদের মাঠে রেখেই স্বাগতিক পাকিস্তান সরাসরি মাঠ থেকেই দেশ ছেড়েছে।

সবাই পৌঁছে গেলেও পৌঁছায়নি বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। সাকিব এখনো আমেরিকা রয়ে গেছে পরিবারকে সময় দিতে। এমন সময়ও সাকিবের এমন কাণ্ড নিঃসন্দেহে সমর্থকদেরও মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে বিসিবিকে নিয়ে। কোনো জবাবদিহিতার ভারই কি নেই সাকিবের কাঁধে?

একটা দলের হারতে হারতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এদিকে বিশ্বকাপের আগে অভিজ্ঞদেরও ছাঁটাই করা হয়েছে। বিশ্বকাপের সব থেকে তরুণ দল হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। দলের একমাত্র অভিজ্ঞ ও সেরা ক্রিকেটার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। অথচ তিনিই কিনা অনুশীলনে নেই, ম্যাচ পরিকল্পনায় নেই। দলেই যোগ দিচ্ছেন ম্যাচের আগের দিন!

সাকিব বিশ্বসেরা। সব জায়গায় মানিয়ে নিতে পারে। সবার বিশ্বাস ত্রিদেশীয় সিরিজ ও বিশ্বকাপেও ভালো করবে। কিন্তু তিনি যখন দলের একমাত্র অভিজ্ঞ ক্রিকেটার তখন কি দলের পাশে থাকা উচিৎ ছিলো না! তারপরও তিনি একজন অধিনায়ক। অথচ তাকে তরুণেরা পাগলের মতো ভালোবাসে। ফলে তারা তার থেকে শিখতে পারতো, বুঝতে পারতো, জানতে পারতো। উৎসাহ পেত, অনুপ্রেরণা পেত।

এর আগে আরব আমিরাত সফরেও দলের সাথে ছিলেন না এই অলরাউন্ডার। যদিও বিসিবি তাকে অনাপত্তিপত্র দিয়ে সিরিজ নির্ধারণ হবার আগেই পাঠায় সিপিএল খেলতে। তবে ২৯ তারিখ শেষ হয় সাকিবের সিপিএল অধ্যায়। এরপর সাকিব ফিরে যান যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের কাছে। এখন পর্যন্ত সেখানেই আছেন সাকিব।

নতুন মেয়াদে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পরে ৭ ম্যাচের মাত্র ৫টিতে সাকিবের সার্ভিস পেয়েছে দল। হেরেছে সেই দুটো ম্যাচেও। তবে সাকিবের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন নেই, থাকারও কথা না। সাকিবের হাতে যে অধিনায়কত্ব আছে, তাতেই স্বস্তি হয়। কিন্তু কথা হলো, অধিনায়ক সাকিবকে কতটা সময় পাশে পেল দল? অধিনায়ক সাকিবের ফায়দা আদৌ পাচ্ছে তো বাংলাদেশ! বাস্তবতা অবশ্য সাকিবের বিপক্ষেই বলে, পরিসংখ্যানও একই কাতারে।

সাকিব নিজেও জানেন, সবাই দেখেছেন; সাকিব মাঠে থাকলে দলের শারীরিক ভাষায় যেন পরিবর্তন আসে, দলটা যেন ফুরফুরে হয়ে উঠে। সাকিবকে নিয়ে সবাই ব্যস্ত হয়ে উঠে। যার অনেকটা মিলে যায় মেসিকে নিয়ে সতীর্থদের ভালোবাসার সাথে। মেসির জন্য হলেও যারা লড়াই করতে চায় নিজের সবটা দিয়ে, জিততে চায় তার জন্য। তেমনি সাকিবও যেন তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে তেমনি হয়ে আছে। কিন্তু সাকিন যদি তা বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকেন, তবে আর কিইবা বলার থাকে!

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সাকিব কি বোঝেন না তাকে দলের প্রয়োজন!

আপডেট সময় : ১১:৩৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

দল পৌঁছে গেছে দু’দিন আগে। ইতোমধ্যে অনুশীলনও শুরু করে দিয়েছে পুরোদমে। মাঝের একটা দিন ঘুরে বেড়িয়েছে, আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে। যদিও সদ্য শেষ হওয়া শীতের রেশ রয়ে গেছে, তবুও যে মনে সুখ নেই আফিফ-মিরাজদের, তা কি বলার অপেক্ষা রাখে? একটি মাত্র টেস্ট জয় ছাড়া বলার মতো আর কিইবা আছে!

বিপদে বরাবরই পাশে পাওয়া দেশটায় এবারো বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। সাথে পাকিস্তানকে নিয়ে স্বাগতিকরা একটা ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বিশ্বকাপের আগে। সেই সিরিজকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ দলের পর পাকিস্তানও গতকাল পৌঁছে গেছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষে সফরকারীদের মাঠে রেখেই স্বাগতিক পাকিস্তান সরাসরি মাঠ থেকেই দেশ ছেড়েছে।

সবাই পৌঁছে গেলেও পৌঁছায়নি বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। সাকিব এখনো আমেরিকা রয়ে গেছে পরিবারকে সময় দিতে। এমন সময়ও সাকিবের এমন কাণ্ড নিঃসন্দেহে সমর্থকদেরও মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে বিসিবিকে নিয়ে। কোনো জবাবদিহিতার ভারই কি নেই সাকিবের কাঁধে?

একটা দলের হারতে হারতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এদিকে বিশ্বকাপের আগে অভিজ্ঞদেরও ছাঁটাই করা হয়েছে। বিশ্বকাপের সব থেকে তরুণ দল হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। দলের একমাত্র অভিজ্ঞ ও সেরা ক্রিকেটার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। অথচ তিনিই কিনা অনুশীলনে নেই, ম্যাচ পরিকল্পনায় নেই। দলেই যোগ দিচ্ছেন ম্যাচের আগের দিন!

সাকিব বিশ্বসেরা। সব জায়গায় মানিয়ে নিতে পারে। সবার বিশ্বাস ত্রিদেশীয় সিরিজ ও বিশ্বকাপেও ভালো করবে। কিন্তু তিনি যখন দলের একমাত্র অভিজ্ঞ ক্রিকেটার তখন কি দলের পাশে থাকা উচিৎ ছিলো না! তারপরও তিনি একজন অধিনায়ক। অথচ তাকে তরুণেরা পাগলের মতো ভালোবাসে। ফলে তারা তার থেকে শিখতে পারতো, বুঝতে পারতো, জানতে পারতো। উৎসাহ পেত, অনুপ্রেরণা পেত।

এর আগে আরব আমিরাত সফরেও দলের সাথে ছিলেন না এই অলরাউন্ডার। যদিও বিসিবি তাকে অনাপত্তিপত্র দিয়ে সিরিজ নির্ধারণ হবার আগেই পাঠায় সিপিএল খেলতে। তবে ২৯ তারিখ শেষ হয় সাকিবের সিপিএল অধ্যায়। এরপর সাকিব ফিরে যান যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের কাছে। এখন পর্যন্ত সেখানেই আছেন সাকিব।

নতুন মেয়াদে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পরে ৭ ম্যাচের মাত্র ৫টিতে সাকিবের সার্ভিস পেয়েছে দল। হেরেছে সেই দুটো ম্যাচেও। তবে সাকিবের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন নেই, থাকারও কথা না। সাকিবের হাতে যে অধিনায়কত্ব আছে, তাতেই স্বস্তি হয়। কিন্তু কথা হলো, অধিনায়ক সাকিবকে কতটা সময় পাশে পেল দল? অধিনায়ক সাকিবের ফায়দা আদৌ পাচ্ছে তো বাংলাদেশ! বাস্তবতা অবশ্য সাকিবের বিপক্ষেই বলে, পরিসংখ্যানও একই কাতারে।

সাকিব নিজেও জানেন, সবাই দেখেছেন; সাকিব মাঠে থাকলে দলের শারীরিক ভাষায় যেন পরিবর্তন আসে, দলটা যেন ফুরফুরে হয়ে উঠে। সাকিবকে নিয়ে সবাই ব্যস্ত হয়ে উঠে। যার অনেকটা মিলে যায় মেসিকে নিয়ে সতীর্থদের ভালোবাসার সাথে। মেসির জন্য হলেও যারা লড়াই করতে চায় নিজের সবটা দিয়ে, জিততে চায় তার জন্য। তেমনি সাকিবও যেন তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে তেমনি হয়ে আছে। কিন্তু সাকিন যদি তা বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকেন, তবে আর কিইবা বলার থাকে!

বিডিসংবাদ/এএইচএস